বাংলাদেশ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
বাংলাদেশ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষে (বেজা) ২৪ জনের চাকরির সুযোগ

বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষে (বেজা) ২৪ জনের চাকরির সুযোগ

 "প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনস্থ বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষে (বেজা) ৪টি পদে ২৪ জনকে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। আবেদনের শেষ সময় ১০ এপ্রিল।"

নিজস্ব প্রতিবেদক 

প্রকাশ : সোমবার, ০৯ মার্চ ২০২৬


নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনস্থ বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) । প্রতিষ্ঠানটির ৪টি ভিন্ন ক্যাটাগরির পদে মোট ২৪ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে । আগ্রহী ও যোগ্য প্রার্থীরা সম্পূর্ণ অনলাইনে এই পদগুলোর জন্য আবেদন করতে পারবেন ।

পদের নাম ও পদসংখ্যা:

  • কম্পিউটার প্রোগ্রামার (গ্রেড-৬): ১টি পদ । বয়সসীমা অনূর্ধ্ব ৩৫ বছর ।
  • সহকারী পরিচালক (গ্রেড-৯): ১৭টি পদ । বয়সসীমা অনূর্ধ্ব ৩২ বছর ।
  • হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা (গ্রেড-৯): ২টি পদ । বয়সসীমা অনূর্ধ্ব ৩২ বছর ।
  • উপ-সহকারী প্রকৌশলী (গ্রেড-১০): ৪টি পদ । বয়সসীমা অনূর্ধ্ব ৩২ বছর 

(উল্লেখ্য, নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির শর্ত অনুযায়ী সকল পদের বিপরীতে প্রার্থীদের ন্যূনতম বয়স ১৮ বছর হতে হবে 

আবেদনের নিয়ম ও সময়সীমা:

  • যোগ্য প্রার্থীদের অনলাইনে  ওয়েবসাইটে গিয়ে আবেদন ফর্ম পূরণ করতে হবে ।
  • অনলাইনে আবেদনপত্র পূরণ ও পরীক্ষার ফি জমাদান শুরু হবে আগামীকাল ১০ মার্চ ২০২৬, সকাল ১০টা থেকে ।
  • আবেদনের চূড়ান্ত সময়সীমা আগামী ১০ এপ্রিল ২০২৬, বিকেল ৫টা পর্যন্ত ।

আবেদন ফি:

  • পদগুলোর জন্য টেলিটকের সার্ভিস চার্জসহ সাধারণ প্রার্থীদের আবেদন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে মোট ২২৩ টাকা ।
  • তবে অনগ্রসর নাগরিক (যেমন- ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী, শারীরিক প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গের প্রার্থী)-দের জন্য আবেদন ফি সার্ভিস চার্জসহ মোট ৫৬ টাকা ।
  • অনলাইনে আবেদনপত্র সাবমিট করার পর ৭২ ঘণ্টার মধ্যে টেলিটক প্রিপেইড নম্বরের মাধ্যমে এসএমএস করে এই ফি জমা দিতে হবে ।

সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত সংস্থায় কর্মরত প্রার্থীদের অবশ্যই যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতিক্রমে আবেদন করতে বলা হয়েছে ।

দারিদ্র্য বিমোচনে জাকাত বোর্ড পুনর্গঠনের সিদ্ধান্ত, কার্যকর ব্যবস্থাপনার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

দারিদ্র্য বিমোচনে জাকাত বোর্ড পুনর্গঠনের সিদ্ধান্ত, কার্যকর ব্যবস্থাপনার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

 "দেশে জাকাত ব্যবস্থাপনাকে কার্যকর করতে এবং দারিদ্র্য বিমোচনে জাকাত বোর্ড পুনর্গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।"

অনলাইন ডেস্ক 

প্রকাশ : সোমবার, ০৯ মার্চ ২০২৬, ২১:৪০

ছবি: সংগৃহীত

দেশে জাকাত আদায় ও বণ্টন ব্যবস্থাকে কীভাবে আরও বেশি সুশৃঙ্খল এবং কার্যকর করা যায়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (৯ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে জাকাত ব্যবস্থাপনা নিয়ে আয়োজিত এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে তিনি এই নির্দেশনা প্রদান করেন।


বৈঠকের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত:

প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম রনি গণমাধ্যমের কাছে এই বৈঠকের বিষয়বস্তু নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, দেশে একটি সুষ্ঠু জাকাত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে কীভাবে দ্রুততম সময়ে দারিদ্র্য বিমোচন করা সম্ভব, মূলত তা নিয়েই বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এর পাশাপাশি সরকারি জাকাত বোর্ডকে নতুন করে ঢেলে সাজানো বা পুনর্গঠনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে এই সভায়।


কমিটি গঠনের সুপারিশ:

এই বোর্ড পুনর্গঠন এবং ব্যবস্থাপনার জন্য একটি বিশেষ কমিটি গঠনের সুপারিশ করা হয়েছে। ধর্মমন্ত্রী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদের নেতৃত্বে এই কমিটিতে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব আল্লামা মুফতি আবদুল মালেক এবং আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহসহ দেশের শীর্ষস্থানীয় কয়েকজন ইসলামী অর্থনীতিবিদ ও আলেমকে রাখার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।


আগামী ১০ দিনের মধ্যে ধর্ম মন্ত্রণালয় এই পূর্ণাঙ্গ কমিটির সদস্যদের নাম প্রস্তাব করবে বলে জানিয়েছেন জাহিদুল ইসলাম রনি। পরবর্তীতে এই কমিটি জাকাত বোর্ড পুনর্গঠন বিষয়ে তাদের চূড়ান্ত সুপারিশ প্রধানমন্ত্রীর কাছে জমা দেবে।


বৈঠকের প্রেক্ষাপট:

উল্লেখ্য, গত শনিবার (৭ মার্চ) আলেম-ওলামা ও এতিমদের সম্মানে আয়োজিত এক ইফতার মাহফিলে প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, সুষ্ঠুভাবে জাকাত ব্যবস্থাপনা করা গেলে আগামী ১০ থেকে ১৫ বছরের মধ্যেই দেশ থেকে দারিদ্র্য দূর করা সম্ভব। মূলত তার সেই বক্তব্যের আলোকেই আজকের এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এদিনের বৈঠকে ধর্মমন্ত্রী ও শায়খ আহমাদুল্লাহ ছাড়াও ধর্মসচিব মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদ উপস্থিত ছিলেন।

পুলিশ প্রশাসনে বড় রদবদল: নৌ-পুলিশ প্রধানসহ ৫ অতিরিক্ত আইজিপি বাধ্যতামূলক অবসরে

পুলিশ প্রশাসনে বড় রদবদল: নৌ-পুলিশ প্রধানসহ ৫ অতিরিক্ত আইজিপি বাধ্যতামূলক অবসরে

"বাংলাদেশ পুলিশের শীর্ষ পর্যায়ে রদবদল। নৌ-পুলিশের প্রধান কুসুম দেওয়ানসহ ৫ জন অতিরিক্ত আইজিপিকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছে সরকার। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি।"

অনলাইন ডেস্ক 

প্রকাশ : সোমবার, ০৯ মার্চ ২০২৬, ১৭:১০

ছবি: সংগৃহীত


বাংলাদেশ পুলিশের শীর্ষ পর্যায়ে বড় ধরনের রদবদল এনেছে সরকার। নৌ-পুলিশের প্রধান কুসুম দেওয়ানসহ মোট পাঁচজন অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (অতিরিক্ত আইজিপি) পদমর্যাদার কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন: সোমবার (৯ মার্চ) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

অবসরে পাঠানো অন্য কর্মকর্তাদের তালিকা ও বর্তমান পদবি: প্রজ্ঞাপনে উল্লিখিত বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো বাকি চার কর্মকর্তা হলেন— আবু হাসান মুহম্মদ তারিক, মোহা. আবদুল আলীম মাহমুদ, মো. মাসুদুর রহমান ভুঞা এবং মো. তওফিক মাহবুব চৌধুরী।

জানা গেছে, এদের মধ্যে আবু হাসান মুহম্মদ তারিক এবং মোহা. আবদুল আলীম মাহমুদ বর্তমানে মন্ত্রণালয়ে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা ওএসডি (OSD) হিসেবে সংযুক্ত ছিলেন। এছাড়া, মো. মাসুদুর রহমান ভুঞা পুলিশ সদর দপ্তরে (টিআর পদে) এবং মো. তওফিক মাহবুব চৌধুরী রাজশাহীর সারদায় অবস্থিত বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমিতে অতিরিক্ত আইজিপি হিসেবে নিজেদের দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।

অবসরজনিত সুবিধা পাবেন কর্মকর্তারা: স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জারি করা ওই প্রজ্ঞাপনে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, জনস্বার্থে এই পাঁচ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হলেও, তারা সরকারি বিধি মোতাবেক নিজেদের অবসরজনিত সকল আর্থিক সুবিধাদি প্রাপ্য হবেন।


জ্বালানি সঙ্কট: বিকল্প উৎস খোঁজার ও সিন্ডিকেট রুখতে সরকারকে জামায়াত আমিরের আহ্বান

জ্বালানি সঙ্কট: বিকল্প উৎস খোঁজার ও সিন্ডিকেট রুখতে সরকারকে জামায়াত আমিরের আহ্বান

 "মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের কারণে সৃষ্ট জ্বালানি সঙ্কট মোকাবিলায় সরকারকে দ্রুত বিকল্প উৎস খোঁজা এবং জ্বালানি পাচার ও সিন্ডিকেট রোধে কঠোর হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।"

নিজস্ব প্রতিবেদক 

প্রকাশ: শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬

ছবি: সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের জেরে সৃষ্ট জ্বালানি সঙ্কট সামাল দিতে সরকারকে জরুরি ভিত্তিতে বিকল্প জ্বালানির উৎস খোঁজার তাগিদ দিয়েছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

শনিবার (৭ মার্চ) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি সরকারের প্রতি এ আহ্বান জানান।

ফেসবুক পোস্টে ডা. শফিকুর রহমান উল্লেখ করেন, সাম্প্রতিক যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বাংলাদেশে জ্বালানি সঙ্কট তীব্র আকার ধারণ করেছে। বিশ্ব পরিস্থিতি আগামী দিনগুলোতেও একই রকম থাকলে তা দেশের মানুষের সামাজিক ও অর্থনৈতিক জীবনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে তিনি মন্তব্য করেন। এই পরিস্থিতি মোকাবিলার লক্ষ্যে সরকারকে দ্রুত বিকল্প জ্বালানির উৎস খুঁজে বের করার এবং জরুরি ভিত্তিতে একটি বাস্তবসম্মত সমাধান গ্রহণের কথা বলেন তিনি।

সঙ্কটের এই সুযোগে যেন নতুন কোনো চক্র তৈরি হতে না পারে, সে বিষয়ে সতর্ক করে জামায়াত আমির লেখেন, এই সময়ে যাতে নতুন কোনো সিন্ডিকেট গড়ে উঠতে না পারে সেজন্য কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। একইসঙ্গে এই দুর্যোগপূর্ণ মুহূর্তে দেশের কোথাও দিয়ে যেন জ্বালানি তেল পাচার না হতে পারে, সে বিষয়েও কঠোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তিনি।

নির্বাচন কারচুপির অভিযোগ: সাবেক দুই উপদেষ্টা রিজওয়ানা ও খলিলুরকে জিজ্ঞাসাবাদের দাবিতে জামায়াতের বিক্ষোভ

নির্বাচন কারচুপির অভিযোগ: সাবেক দুই উপদেষ্টা রিজওয়ানা ও খলিলুরকে জিজ্ঞাসাবাদের দাবিতে জামায়াতের বিক্ষোভ

 "নির্বাচন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের অভিযোগে সাবেক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান ও ড. খলিলুর রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদের দাবিতে বায়তুল মোকাররমে জামায়াতের বিক্ষোভ।"

নিজস্ব প্রতিবেদক 

প্রকাশ : শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬, ২২:৫০

ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা: সদ্য বিদায়ী অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দুই সাবেক উপদেষ্টাকে দ্রুত জিজ্ঞাসাবাদের দাবিতে রাজধানী ঢাকায় বিশাল বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুক্রবার (৬ মার্চ) পবিত্র জুমার নামাজের পর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে এই বিক্ষোভ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

বিক্ষোভের মূল দাবি ও ব্যানার: বিক্ষোভ সমাবেশের ব্যানারে স্পষ্টভাবে লেখা ছিল, ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করে জনগণের রায় পাল্টে দেয়ার অভিযোগের তদন্তের জন্য সাবেক উপদেষ্টা সৈয়দা রেজওয়ানা হাসান ও ড. খলিলুর রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদের দাবি’। পরবর্তীতে দলটির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ এবং ইউটিউব চ্যানেলেও এই বিক্ষোভ ও ব্যানারের দৃশ্য শেয়ার করা হয়েছে।

বিবৃতিতে কারচুপির অভিযোগ: গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিবৃতিতে জামায়াতের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ভোট গণনা থেকে শুরু করে চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা পর্যন্ত প্রতিটি স্তরেই সুপরিকল্পিতভাবে ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’ বা জালিয়াতি করা হয়েছে।

দুই উপদেষ্টার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ: সাবেক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের সাম্প্রতিক একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে এই কারচুপির অভিযোগ তুলেছে জামায়াতে ইসলামী। পাশাপাশি ওই সাবেক উপদেষ্টাকে তার মন্তব্যের জন্য ভুল স্বীকার করারও জোর দাবি জানিয়েছে দলটি।

অন্যদিকে, বর্তমান বিএনপি সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে সদ্য নিয়োগ পাওয়া আরেক সাবেক উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমানের বিরুদ্ধে ‘লন্ডন মেকানিজম’ বা লন্ডন ষড়যন্ত্রের গুরুতর অভিযোগও তুলেছে জামায়াত।

আন্তর্জাতিক কিছু চুক্তি নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকার কোনো আলোচনা করেনি: জামায়াত আমির

আন্তর্জাতিক কিছু চুক্তি নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকার কোনো আলোচনা করেনি: জামায়াত আমির

 "আন্তর্জাতিক কিছু চুক্তি স্বাক্ষরের ক্ষেত্রে বিগত অন্তর্বর্তী সরকার রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে কোনো আলোচনা করেনি বলে অভিযোগ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।"

নিজস্ব প্রতিবেদক 

প্রকাশ : শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬, ২০:০৫


ঢাকা: বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে বিভিন্ন দেশের সাথে বেশ কয়েকটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হলেও, সেসব বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে কোনো প্রকার আলোচনা করা হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

শুক্রবার (৬ মার্চ) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এই মন্তব্য করেন।

ফেসবুক পোস্টে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দেশে সংসদ না থাকার কারণে জাতীয় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে সরকার যেভাবে রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে সংলাপ ও মতবিনিময় করেছে, আন্তর্জাতিক চুক্তির মতো সংবেদনশীল ও অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতেও ঠিক একইভাবে সবার সাথে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত ছিল। এ বিষয়ে দলটির পক্ষ থেকে বহুবার দাবি জানানো হয়েছিল বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

জামায়াত আমির ক্ষোভ প্রকাশ করে লেখেন, "তৎকালীন সরকার আমাদের সেই যৌক্তিক দাবিগুলোকে আমলে নেয়নি। অতএব, এ বিষয়ে আমাদের অবস্থান একেবারে স্পষ্ট এবং এখানে কোনো ধরনের ধোঁয়াশা বা বিভ্রান্তি তৈরি করার সুযোগ নেই।"

দুর্নীতি দমনে দলীয় পরিচয় দেখা হবে না: কূটনীতিকদের ইফতারে প্রধানমন্ত্রী

দুর্নীতি দমনে দলীয় পরিচয় দেখা হবে না: কূটনীতিকদের ইফতারে প্রধানমন্ত্রী

 "দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় কূটনীতিকদের ইফতারে তিনি জানান, দুর্নীতি দমনে কোনো দলীয় পরিচয় দেখা হবে না।"

অনলাইন ডেস্ক 

প্রকাশ : শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬, ১৯:৫৫

ছবি: সংগৃহীত


ঢাকা: দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন, দুর্নীতি দমনের ক্ষেত্রে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে এবং কোনোভাবেই অপরাধীর দলীয় পরিচয় বিবেচনা করা হবে না।

কূটনীতিকদের সম্মানে ইফতার: শুক্রবার (৬ মার্চ) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় বাংলাদেশে নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকদের সম্মানে আয়োজিত এক বিশেষ ইফতার মাহফিলে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

উপস্থিত অতিথি ও নেতৃবৃন্দ: ইফতার আয়োজনে প্রধানমন্ত্রীর মূল টেবিলে তার ডান পাশে বসেছিলেন সহধর্মিণী ডা. জোবায়দা রহমান এবং বাম পাশে ছিলেন তার কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান। এই সম্মাননা আয়োজনে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, বিদেশি দূতাবাসের পদস্থ প্রতিনিধি, বর্তমান মন্ত্রিপরিষদের সদস্য এবং সংসদ সদস্যরা (এমপি) উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রীর সুস্পষ্ট বার্তা: দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান পরিষ্কার করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্রীয় কাঠামোর সর্বস্তরে দুর্নীতি রুখতে সরকার অত্যন্ত দৃঢ় ও কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। এক্ষেত্রে দুর্নীতিবাজের কোনো দলীয় পরিচয় বা রাজনৈতিক ব্যাকগ্রাউন্ড দেখা হবে না বলে তিনি দ্ব্যর্থহীনভাবে উল্লেখ করেন।

দুর্নীতি দমনের পাশাপাশি মানবাধিকার সংরক্ষণ, জনগণের মতপ্রকাশের পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিত করা এবং সমাজে পরমতসহিষ্ণুতার বা সহনশীলতার সংস্কৃতি গড়ে তোলার বিষয়েও বর্তমান সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ বলে জানান তিনি।

কুশল বিনিময় ও মোনাজাত: ইফতার পর্ব শুরু হওয়ার আগে প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত বিদেশি কূটনীতিক ও অতিথিদের সঙ্গে অত্যন্ত আন্তরিকভাবে কুশল বিনিময় করেন এবং পরে বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন।

সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা: স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৬ পাচ্ছেন খালেদা জিয়াসহ ১৫ ব্যক্তি ও ৫ প্রতিষ্ঠান

সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা: স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৬ পাচ্ছেন খালেদা জিয়াসহ ১৫ ব্যক্তি ও ৫ প্রতিষ্ঠান

"জাতীয় জীবনে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০২৬ সালের ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’ পাচ্ছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াসহ ১৫ বিশিষ্ট ব্যক্তি ও ৫ প্রতিষ্ঠান। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে নামের তালিকা প্রকাশ।"

অনলাইন ডেস্ক 
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ২০:৪৮
"জাতীয় জীবনে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০২৬ সালের ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’ পাচ্ছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াসহ ১৫ বিশিষ্ট ব্যক্তি ও ৫ প্রতিষ্ঠান। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে নামের তালিকা প্রকাশ।"
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা: জাতীয় জীবনে অসামান্য ও গৌরবোজ্জ্বল অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ২০২৬ সালের ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’ বিজয়ীদের নামের তালিকা ঘোষণা করেছে সরকার। এ বছর দেশের সর্বোচ্চ এই রাষ্ট্রীয় সম্মাননার জন্য মনোনীত হয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াসহ ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব এবং ৫টি স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান।

বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (কমিটি ও অর্থনৈতিক) মো. হুমায়ুন কবির স্বাক্ষরিত এক আনুষ্ঠানিক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে পদকপ্রাপ্তদের এই চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হয়।

যাঁরা পাচ্ছেন মর্যাদাপূর্ণ এই পদক:

  • স্বাধীনতা ও দেশগঠন: দেশগঠন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং নারী শিক্ষায় অবিস্মরণীয় অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত করা হচ্ছে। এছাড়া জনপ্রশাসন ক্যাটাগরিতে এই পদক পাচ্ছেন কাজী ফজলুর রহমান (মরণোত্তর)।

  • মুক্তিযুদ্ধ: এই গৌরবোজ্জ্বল ক্ষেত্রে পুরস্কারের জন্য যৌথভাবে মনোনীত হয়েছে ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ এবং মেজর মোহাম্মদ আব্দুল জলিল (মরণোত্তর)।

  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি: এই বিভাগে সম্মাননা অর্জন করেছেন বরেণ্য শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড. জহুরুল করিম।

  • চিকিৎসাবিদ্যা: চিকিৎসায় অনন্য অবদানের জন্য মনোনীত হয়েছে দেশের শীর্ষ স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।

  • সাহিত্য ও সংস্কৃতি: সাহিত্যে ড. আশরাফ সিদ্দিকী (মরণোত্তর) এবং সংস্কৃতি বিভাগে জনপ্রিয় গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব হানিফ সংকেত (এ কে এম হানিফ) ও বশির আহমেদ (মরণোত্তর) এই পুরস্কার পাচ্ছেন।

  • সমাজসেবা ও জনসেবা: সমাজ ও মানুষের কল্যাণে বিশেষ অবদানের জন্য ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী (মরণোত্তর), মো. সাইদুল হক, মাহেরীন চৌধুরী (মরণোত্তর), ‘এস ও এস চিলড্রেনস ভিলেজ ইন্টারন্যাশনাল ইন বাংলাদেশ’ এবং ‘গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র’ এই মর্যাদাপূর্ণ পদকের জন্য নির্বাচিত হয়েছে।

  • গবেষণা ও প্রশিক্ষণ: এই ক্ষেত্রে মনোনীত হয়েছেন মোহাম্মদ আবদুল বাকী পিএইচডি, অধ্যাপক ড. এম এ রহিম এবং অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়া।

  • অন্যান্য বিশেষ ক্ষেত্র: ক্রীড়াঙ্গনে জোবেরা রহমান লিনু, গ্রামীণ বা পল্লী উন্নয়নে ‘পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন’ (পিকেএসএফ) এবং পরিবেশ সংরক্ষণে আব্দুল মুকিত মজুমদার (মুকিত মজুমদার বাবু) এই পুরস্কার অর্জন করেছেন।

সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, খুব শিগগিরই এক আনুষ্ঠানিক আয়োজনের মাধ্যমে মনোনীত এই গুণী ব্যক্তিত্ব ও প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিদের হাতে স্বাধীনতা পদক তুলে দেওয়া হবে।

শাহজালাল বিমানবন্দরে সাবেক উপদেষ্টা আদিলুরকে হয়রানির অভিযোগ

শাহজালাল বিমানবন্দরে সাবেক উপদেষ্টা আদিলুরকে হয়রানির অভিযোগ

 অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ : সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৯:১০

শাহজালাল বিমানবন্দরে সাবেক উপদেষ্টা আদিলুরকে হয়রানির অভিযোগ

পতিত সরকারের আমলের মতোই হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাত্রী হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। এবার এই অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির শিকার হয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সদ্য সাবেক উপদেষ্টা ও মানবাধিকার সংগঠন 'অধিকার'-এর সম্পাদক আদিলুর রহমান খান।

​কী ঘটেছিল বিমানবন্দরে?

জানা যায়, সোমবার (২ মার্চ) নেপালের জাতীয় নির্বাচনে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক হিসেবে অংশ নিতে বিমানবন্দরে যান আদিলুর রহমান খান। ইমিগ্রেশন পার হওয়ার সময় পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের (এসবি) এক পুলিশ সুপার তাকে আটকে রাখেন। অভিযোগ রয়েছে, সাবেক এই উপদেষ্টাকে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষায় রেখে বিভিন্ন অপ্রাসঙ্গিক প্রশ্ন করতে থাকেন ওই কর্মকর্তা। নেপালে যাওয়ার সুনির্দিষ্ট কারণ ও নিজের পরিচয় দেওয়ার পরও তাকে অযথা বসিয়ে রেখে হয়রানি করা হয়।

​ঊর্ধ্বতনদের হস্তক্ষেপ ও বিস্ময়:

পরবর্তীতে ওই এসবি কর্মকর্তা তার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করেন। দেশের একজন সদ্য বিদায়ী উপদেষ্টার সাথে ইমিগ্রেশন পুলিশের এমন আচরণে সচেতন মহলে ব্যাপক ক্ষোভ ও বিস্ময়ের সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, ফ্যাসিবাদী আমলের সেই হয়রানিমূলক চর্চা এখনো বিমানবন্দরে রয়ে গেছে।

​এসবি প্রধানের বক্তব্য:

তবে হয়রানির এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন স্পেশাল ব্রাঞ্চের প্রধান ও অতিরিক্ত আইজিপি গোলাম রসুল। সংবাদমাধ্যমকে তিনি জানিয়েছেন, পরিস্থিতি সে রকম গুরুতর কিছু নয়। আদিলুর রহমান খানের ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে এবং তিনি নেপালে যাওয়ার জন্য বোর্ডিং পাস হাতে পেয়েছেন।

মৎস্য অধিদপ্তরে ২৮৪ জনের বিশাল নিয়োগ, এসএসসি পাসেই আবেদনের সুযোগ

মৎস্য অধিদপ্তরে ২৮৪ জনের বিশাল নিয়োগ, এসএসসি পাসেই আবেদনের সুযোগ

 অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ : সোমবার, ০১ মার্চ ২০২৬, ১০:২০


সরকারি চাকরিপ্রত্যাশীদের জন্য দারুণ সুখবর! গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন মৎস্য অধিদপ্তর তাদের রাজস্ব খাতের শূন্য পদগুলোতে বিশাল এক জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। সর্বমোট ৭টি ভিন্ন ক্যাটাগরিতে ২৮৪ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহী ও যোগ্য প্রার্থীরা অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।  

​পদের নাম ও শূন্য পদের বিবরণ:

​অফিস সহকারী-কাম-কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক: ১৩৫ জন (এইচএসসি পাস এবং কম্পিউটার টাইপিংয়ে নির্ধারিত গতি থাকতে হবে)।  

​অফিস সহায়ক: ১২৬ জন (এসএসসি বা সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে)।  

​গাড়িচালক: ৬ জন (জেএসসি পাসসহ ভারী বা হালকা গাড়ি চালানোর বৈধ লাইসেন্স থাকতে হবে)।  

​ডেকহ্যান্ড (উচ্চ স্কেল): ৬ জন (ইনল্যান্ড মাস্টার বিষয়ে দ্বিতীয় শ্রেণির সার্টিফিকেট ও ২ বছরের অভিজ্ঞতা প্রয়োজন)।  

​হ্যাচারি সহকারী: ৫ জন (বিজ্ঞান বিভাগে এসএসসি পাসসহ মৎস্য বিষয়ে ডিপ্লোমা থাকতে হবে)।  

​ক্যাশিয়ার: ৪ জন (বাণিজ্য বিভাগে এইচএসসি পাস এবং বেসিক কম্পিউটার কোর্স সম্পন্ন হতে হবে)।  

​ভান্ডার রক্ষক: ২ জন (এইচএসসি বা সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে)।  

​আবেদনের গুরুত্বপূর্ণ শর্তাবলী:

​বয়সসীমা: ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখের হিসাবে চাকরিপ্রার্থীর বয়স অবশ্যই ১৮ থেকে ৩২ বছরের মধ্যে হতে হবে।  

​আবেদনের মাধ্যম: কোনো কাগজের আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না। প্রার্থীদের সরাসরি টেলিটকের ওয়েবসাইট (https://dof.teletalk.com.bd) ভিজিট করে অনলাইনে আবেদন ফরম পূরণ করতে হবে।  

​আবেদনের সময়সীমা: ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সকাল ১০টা থেকে আবেদন শুরু হয়েছে এবং এটি চলবে ১৫ মার্চ ২০২৬, বিকেল ৫টা পর্যন্ত।  

​আবেদন ফি: ১ থেকে ৬ নম্বর পদের জন্য সার্ভিস চার্জসহ মোট ফি ১১২ টাকা এবং ৭ নম্বর পদের জন্য মোট ফি ৫৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী, শারীরিক প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গের প্রার্থীদের ক্ষেত্রে সব পদের জন্যই ফি ৫৬ টাকা। আবেদন সাবমিট করার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে টেলিটক প্রিপেইড সিমের মাধ্যমে এসএমএস করে এই ফি জমা দিতে হবে

ব্যক্তি বা দল নয়, ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ভিত্তি হবে জনগণ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ব্যক্তি বা দল নয়, ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ভিত্তি হবে জনগণ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

 অনলাইন ডেস্ক 

প্রকাশ : রবিবার, ০১ মার্চ ২০২৬, ২১:৩০


ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা: বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের মূল ভিত্তি হবে দুই দেশের জনগণের পারস্পরিক যোগাযোগ, কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দল নয়। রোববার (১ মার্চ) সকালে সচিবালয়ে ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মার সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এ মন্তব্য করেন।

সম্পর্কের নতুন দিগন্ত: বৈঠক শেষে মন্ত্রী জানান, অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে দুই দেশের সম্পর্ককে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে চায় ঢাকা। তিনি বলেন, পারস্পরিক নির্ভরতা কোনো দুর্বলতা নয়, বরং এটিই আমাদের শক্তি। অভিন্ন ইতিহাস ও সংস্কৃতির অংশীদার হিসেবে দুই দেশের সম্পর্ক হবে স্বার্থের সমতার ভিত্তিতে। উল্লেখ্য, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানানোয় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ধন্যবাদ জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

ভিসা জটিলতা ও নিরাপত্তা: ভারতীয় ভিসা প্রদানের হার বাড়ানো এবং বন্ধ থাকা সেন্টারগুলো পুনরায় চালু করার বিষয়ে আলোচনা হয়। হাইকমিশনার জানান, বিগত দেড় বছরে ভিসা সেন্টারগুলোতে হামলা ও নিরাপত্তাহীনতার কারণে ভিসা প্রদানের হার কমেছিল। বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় পর্যায়ক্রমে ভিসা সেন্টার খোলা হবে। মন্ত্রী এ সময় ভারতীয় স্থাপনাগুলোতে কঠোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আশ্বাস দেন। এছাড়া ভিসা ওয়েবসাইটের হ্যাকিং প্রতিরোধে ডিএমপির সাইবার ইউনিটকে প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেন তিনি।

সীমান্ত হত্যা ও প্রশিক্ষণ: সীমান্তে অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যু দ্রুত শূন্যে নামিয়ে আনতে হাইকমিশনারকে বিশেষভাবে অনুরোধ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এছাড়া দুই দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দক্ষতা বাড়াতে ভারতের 'আইটেক' (ITEC) প্রোগ্রামের আওতায় প্রশিক্ষণার্থী পাঠানোর হার বৃদ্ধির বিষয়েও একমত হন তাঁরা।

বৈঠকে বিজিবি-বিএসএফ সম্মেলন, বন্দি বিনিময় এবং ব্যবসা-বাণিজ্য বৃদ্ধির মতো দ্বিপাক্ষিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো গুরুত্বের সাথে আলোচিত হয়। এসময় ভারতীয় হাইকমিশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

চুয়াডাঙ্গায় বিএনপির হামলায় জামায়াত কর্মী নিহত: ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু

চুয়াডাঙ্গায় বিএনপির হামলায় জামায়াত কর্মী নিহত: ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ : রবিবার, ০১ মার্চ ২০২৬, ২০:১০



চুয়াডাঙ্গা: চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলায় নির্বাচন পরবর্তী রাজনৈতিক বিরোধের জেরে বিএনপির হামলায় গুরুতর আহত জামায়াত কর্মী হাফিজুর রহমান (৫৫) মারা গেছেন। রোববার (১ মার্চ) রাত আড়াইটার দিকে ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। নিহত হাফিজুর রহমান স্থানীয় ‘ঢাকা জুয়েলার্স’-এর স্বত্বাধিকারী ও পরিচিত স্বর্ণ ব্যবসায়ী ছিলেন।

ঘটনার সূত্রপাত: স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১৩ ফেব্রুয়ারি জীবননগরের হাসাদহ বাজারে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মেহেদী হাসানের মহড়াকে কেন্দ্র করে উত্তেজনার সূত্রপাত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ইফতারের পর হাসাদহ কামিল মাদরাসা গেটের সামনে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বাঁকা ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মাওলানা মফিজুর রহমান আক্রান্ত হলে তাঁকে বাঁচাতে বড় ভাই হাফিজুর রহমান এগিয়ে যান। এসময় প্রতিপক্ষ গ্রুপ দেশীয় অস্ত্র দিয়ে হাফিজুরকে কুপিয়ে মারাত্মক জখম করে।

চিকিৎসা ও মৃত্যু: আহতদের প্রথমে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে ঢাকায় আনা হয়। রাজধানীর কাকরাইলে ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাফিজুর রহমান শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর ছোট ভাই ও স্থানীয় জামায়াত নেতা মফিজুর রহমান বর্তমানে ঢাকার অরোরা স্পেশালাইজড হাসপাতালের আইসিইউতে মৃত্যুর সাথে লড়ছেন।

তদন্ত ও জানাজা: চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা জামায়াত আমির অ্যাডভোকেট রুহুল আমিন এই ঘটনাকে একটি ‘পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড’ বলে দাবি করেছেন এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চেয়েছেন। জীবননগর থানার ওসি সোলাইমান শেখ জানান, এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। রোববার বিকেলে জানাজা শেষে নিহতের মরদেহ নিজ গ্রাম সুটিয়াতে দাফন করার কথা রয়েছে।

নেতৃবৃন্দের পরিদর্শন: এদিকে রোববার সকালে ঢাকায় চিকিৎসাধীন আহত জামায়াত নেতা মফিজুর রহমানকে দেখতে হাসপাতালে যান জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান এমপি। তিনি পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা দেন এবং এই ন্যাক্কারজনক হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানান।

খামেনি হত্যা ও ইরানে আগ্রাসনের প্রতিবাদে ঢাকায় জামায়াতের বিশাল শোডাউন

খামেনি হত্যা ও ইরানে আগ্রাসনের প্রতিবাদে ঢাকায় জামায়াতের বিশাল শোডাউন

 নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ : রোববার, ০১ মার্চ ২০২৬, ১৯:৪৫



ঢাকা: মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনীর সমন্বিত হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি এবং ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাদের হত্যার প্রতিবাদে রাজধানী ঢাকায় বিশাল গণজমায়েত ও মিছিল করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। রোববারের (১ মার্চ) এই রাজপথের কর্মসূচি থেকে আন্তর্জাতিক নিয়মনীতি তোয়াক্কা না করে চালানো বর্বরোচিত এই হামলার কড়া জবাব চাওয়া হয়।

দলের ঢাকা মহানগরী উত্তর ও দক্ষিণ শাখার যৌথ আয়োজনে এদিন বিকেলে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের উত্তর ফটকের সামনে এই প্রতিবাদী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির ও সংসদ সদস্য মো. নূরুল ইসলাম বুলবুল। কর্মসূচিতে দলটির হাজারো নেতাকর্মী, ছাত্র সমাজ ও ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা অংশ নেন।

সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসনের সমালোচনা: অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে দলের নায়েবে আমির ও সংসদ সদস্য এ টি এম আজহারুল ইসলাম বলেন, "ইসলামের জাগরণ সহ্য করতে না পেরেই মূলত ইসরায়েলকে ঘুঁটি বানিয়ে স্বাধীন ভূখণ্ড ইরানে ধ্বংসযজ্ঞ চালানো হচ্ছে।" মানবাধিকারের ফেরিওয়ালা দেশগুলোর এমন দ্বিমুখী নীতির কঠোর সমালোচনা করে তিনি বিশ্বশান্তি রক্ষায় জাতিসংঘ এবং ওআইসি-কে প্রভাবশালী রাষ্ট্রগুলোর কাছে মাথানত না করে কার্যকরী ভূমিকা রাখার তাগিদ দেন। এছাড়া, নির্বাচন পরবর্তী সময়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে দলের কর্মীদের ওপর চলমান হামলার বিচারও দাবি করেন তিনি।

সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান এমপি তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন, এই আগ্রাসনের পেছনে ইসরায়েলের পাশাপাশি আরও অনেক বড় পরাশক্তির ইন্ধন রয়েছে, যা গোটা বিশ্বকে চরম অস্থিরতার দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

নিন্দা প্রস্তাব ও ঐক্যের ডাক: জাতীয় সংসদের আসন্ন প্রথম অধিবেশনেই খামেনি হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয়ভাবে আনুষ্ঠানিক নিন্দা প্রস্তাব উত্থাপনের জোর দাবি জানান কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ। অন্যদিকে, পরাশক্তির এমন অন্যায্য হামলার বিরুদ্ধে বিশ্বের সব মুসলিম রাষ্ট্রকে এক ছাতার নিচে আসার আহ্বান জানান ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন।

চুয়াডাঙ্গায় কর্মী হত্যার বিচার দাবি: ইরান ইস্যুর পাশাপাশি এই সমাবেশ থেকে চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে জামায়াত কর্মী হাফিজুর রহমান হত্যার দ্রুত বিচার চাওয়া হয়। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইফতারের পর ঘটা এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের জন্য বিএনপির কতিপয় সন্ত্রাসীদের দায়ী করেন বক্তারা। দ্রুততম সময়ের মধ্যে দোষীদের আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা না হলে সাধারণ জনগণকে সাথে নিয়ে দেশব্যাপী কঠোর গণআন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়, যার সম্পূর্ণ দায়ভার সরকারকে নিতে হবে বলে জানান তারা।

সমাবেশটি যৌথভাবে সঞ্চালনা করেন সংসদ সদস্য ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ ও ড. রেজাউল করিম। আলোচনা শেষে বায়তুল মোকাররমের উত্তর ফটক থেকে একটি বিশাল প্রতিবাদী মিছিল শুরু হয়ে বিজয়নগর ও কাকরাইল মোড় প্রদক্ষিণ করে শান্তিনগরে গিয়ে শেষ হয়।

নারী ও শিশুর নিরাপত্তায় ব্যর্থতার দায় সরকারের: মহিলা জামায়াত

নারী ও শিশুর নিরাপত্তায় ব্যর্থতার দায় সরকারের: মহিলা জামায়াত

 অনলাইন ডেস্ক 

প্রকাশ : শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:৫৪

ছবি: সংগৃহীত


ঢাকা: দেশের ১৮ কোটি মানুষের, বিশেষ করে নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হওয়ার দায় সম্পূর্ণভাবে সরকার ও প্রশাসনকেই নিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মহিলা বিভাগের নেতৃবৃন্দ।

নারী ও শিশু নির্যাতন এবং ক্রমবর্ধমান সহিংসতার প্রতিবাদে শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত এক মানববন্ধনে বক্তারা এসব কথা বলেন।

নেতৃবৃন্দের বক্তব্য: মানববন্ধনে জামায়াতের মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি মুছাম্মত রুকসিনা সিদ্দিকা বলেন, "আইন শুধু বইয়ের পাতায় থাকলেই হবে না, তার বাস্তব প্রয়োগ জরুরি। পূর্ববর্তী অপরাধগুলোর সঠিক বিচার হলে আজ তাহিয়া আমিনাসহ অন্য নারী ও শিশুদের জীবন দিতে হতো না।"

কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য আমেনা বেগম বর্তমান পরিস্থিতিকে 'নব্য আইয়ামে জাহেলিয়াত'-এর সঙ্গে তুলনা করে বলেন, রমজানের মতো শান্তির মাসেও শিশুদের ওপর নির্যাতনের প্রতিবাদে রাস্তায় নামতে হচ্ছে, যা অত্যন্ত লজ্জাজনক।

১০ দফা দাবি পেশ: অনুষ্ঠানে নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মার্জিয়া বেগম ১০ দফা দাবি তুলে ধরেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য দাবিগুলো হলো:

  • সাংবিধানিক দায়িত্ব হিসেবে নারী ও শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

  • অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতি বন্ধ করা।

  • রাজনৈতিক পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা।

  • অপরাধীদের রক্ষায় প্রভাবশালী চক্রের হস্তক্ষেপ বন্ধ করা।

  • মামলা গ্রহণে পুলিশের গাফিলতি থাকলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া।

মানববন্ধনে আরও উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ ও আইন বিষয়ক সম্পাদক ডা. সাকিবুন্নাহার মুন্নী, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি জান্নাতুল কারীম, উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি আমেনা বেগম এবং রাজনীতি বিষয়ক সম্পাদক ডা. হাবিবা চৌধুরী সুইট প্রমুখ।


চট্টগ্রামে গ্যাস লাইন বিস্ফোরণ: নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬

চট্টগ্রামে গ্যাস লাইন বিস্ফোরণ: নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬

 অনলাইন ডেস্ক 

প্রকাশ : শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২৩:২০

ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রাম: চট্টগ্রামে গ্যাস লাইন বিস্ফোরণের ঘটনায় দগ্ধ হয়ে চিকিৎসাধীন আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনায় একই পরিবারের নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬ জনে দাঁড়ালো।

শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রাত পৌনে ৮টার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

চিকিৎসকের বক্তব্য ও দগ্ধের অবস্থা: জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক সহকারী অধ্যাপক ডা. শাওন বিন রহমান মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রাত ৭টার দিকে আইসিইউতে ওই রোগীর মৃত্যু হয়। নিহতের শরীরের ৮৩ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল এবং তার শ্বাসনালীতেও মারাত্মক ক্ষত (ইনহেলেশন ইনজুরি) ছিল।

আগের নিহতরা ও বর্তমান পরিস্থিতি: এর আগে এই ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনায় দগ্ধ হয়ে তার বড় ভাই সাখাওয়াত হোসেন, ভাই সামির হোসেন, দুই ভাবি নুরজাহান আক্তার ও পাখি আক্তার এবং ভাতিজা শাওনের মৃত্যু হয়।

ডা. শাওন বিন রহমান আরও জানান, এই ঘটনায় দগ্ধ আরও তিনজন বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাদের অবস্থাও অত্যন্ত আশঙ্কাজনক।

জামায়াতের ইফতারে মিলনমেলা: মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের শপথ নিলেন প্রধানমন্ত্রী

জামায়াতের ইফতারে মিলনমেলা: মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের শপথ নিলেন প্রধানমন্ত্রী

 অনলাইন ডেস্ক 

প্রকাশ : শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২২:৩৭

ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আয়োজনে অনুষ্ঠিত ইফতার মাহফিল সব শ্রেণি-পেশার মানুষের এক বিশাল মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সম্মানে এই ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য ও শপথ: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাঁর বক্তব্যে উপস্থিত সকলকে দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য শপথ নেওয়ার আহ্বান জানান। তাঁর বক্তব্যের মূল বিষয়গুলো ছিল:

  • সাম্প্রতিক নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে গণতন্ত্রের নতুন যাত্রা শুরু হয়েছে।

  • এক যুগেরও বেশি সময় ধরে গুম-খুন, নির্যাতন ও অকাতরে জীবন দেওয়ার বিনিময়ে মানুষ আজ বাক ও ব্যক্তি স্বাধীনতা ফিরে পেয়েছে।

  • দেশের মানুষ রাজনৈতিক দলগুলোর দিকে অনেক প্রত্যাশা নিয়ে তাকিয়ে আছে।

  • তিনি ইফতারে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য জামায়াতে ইসলামীসহ উপস্থিত সকল রাজনৈতিক দলের নেতাদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।

জামায়াত আমিরের বক্তব্য: অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন:

  • ২০১৩ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারিকে তিনি জাতির জন্য একটি ‘কালো দিন’ হিসেবে অভিহিত করেন। ওই দিন আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর রায়ের প্রতিবাদে রাজপথে নামা সাধারণ মানুষের ওপর তৎকালীন সরকার নির্বিচারে গুলি চালিয়ে হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছিল।

  • জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান এবং শহীদদের আত্মত্যাগের কথা তিনি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।

  • বর্তমান সংসদে জামায়াত অতীতের মতো কোনো 'ডামি' বিরোধী দল হবে না; বরং সরকারের সঠিক সিদ্ধান্তে সমর্থন এবং অসঙ্গত সিদ্ধান্তে গঠনমূলক সমালোচনা করবে।

  • তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুম বেগম খালেদা জিয়াকে স্মরণ করে তাঁর সাহসী ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং জান্নাতের উচ্চ মাকাম কামনা করেন।

উপস্থিত নেতৃবৃন্দ: এই ইফতার মাহফিলে মন্ত্রী পরিষদের সদস্য, ১১ দলের শীর্ষ নেতা, আলেম-ওলামা, সংসদ সদস্য, শহীদ পরিবার এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। উল্লেখযোগ্যদের মধ্যে ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, ড. আব্দুল মঈন খান, খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক, নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, এলডিপির সভাপতি অলি আহমদ, এনসিপি নেতা আখতার হোসেন, ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম প্রমুখ।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এবং মোনাজাত পরিচালনা করেন আল্লামা মামুনুল হক।

সংসদ হবে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ

সংসদ হবে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ

 অনলাইন ডেস্ক 

প্রকাশ : রবিবার, ০১ মার্চ ২০২৬, ১০:১০

ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় সংসদকে সকল আলাপ-আলোচনা ও বিতর্কের মূল কেন্দ্রে পরিণত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ধানমন্ডিতে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রথম বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠানে তিনি এই মন্তব্য করেন।

জাতীয় স্বার্থে ঐক্যের আহ্বান: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জাতীয় সংসদে বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে তর্ক-বিতর্ক হতে পারে, কিন্তু জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় সবাইকে এক থাকতে হবে। আলোচনার মাধ্যমেই জাতিকে সঠিক সমাধান দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

তারুণ্য ও আধুনিক রাজনীতি: রাজনীতিকে একটি গতিশীল বিষয় উল্লেখ করে মন্ত্রী জানান:

  • রাজনৈতিক দলগুলোর লক্ষ্য, উদ্দেশ্য এবং ইশতেহার জনগণের প্রত্যাশা ও সময়ের চাহিদা অনুযায়ী পরিবর্তনযোগ্য হওয়া উচিত।

  • তরুণ প্রজন্মের রাজনীতিতে অংশগ্রহণ এদেশের রাজনীতিকে আরও বেগবান ও মর্যাদাবান করবে।

  • যারা ২০২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতার আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করবে, জনগণ তাদেরই চায়।

এনসিপি প্রসঙ্গে মন্তব্য: নতুন দল হিসেবে এনসিপির ইশতেহার ও নির্বাচনী সমঝোতায় ৬টি আসন পাওয়ার বিষয়টিকে তিনি ইতিবাচক হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, জনগণের চাহিদা সমুন্নত রাখতে পারলে এনসিপি ভবিষ্যতে আরও ভালো অবস্থানে পৌঁছাতে পারবে।

পরবর্তীতে মন্ত্রী রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত ইফতার ও দোয়া মাহফিলে অংশগ্রহণ করেন।

সিলেট সীমান্তে বিজিবির বড় অভিযান: ১ কোটি ১৭ লাখ টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ

সিলেট সীমান্তে বিজিবির বড় অভিযান: ১ কোটি ১৭ লাখ টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ

 অনলাইন ডেস্ক 

প্রকাশ : রবিবার, ০১ মার্চ ২০২৬, ০৯:২০

ছবি: সংগৃহীত

সিলেটের গোয়াইনঘাট ও জৈন্তাপুর উপজেলার সীমান্ত এলাকা থেকে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় চোরাই পণ্য জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ভোরে পরিচালিত পৃথক অভিযানে আনুমানিক ১ কোটি ১৭ লাখ টাকা মূল্যের এই চোরাচালান সামগ্রী উদ্ধার করা হয়।

অভিযানের বিস্তারিত: গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সিলেট ব্যাটালিয়নের (৪৮ বিজিবি) জওয়ানরা বিছনাকান্দি, প্রতাপপুর, দমদমিয়া, পাথরকোয়ারি, শ্রীপুর ও বাংলাবাজার সীমান্ত এলাকায় এই বিশেষ অভিযান চালায়।

জব্দকৃত মালামাল: অভিযানে উদ্ধারকৃত পণ্যের মধ্যে রয়েছে:

  • বিপুল পরিমাণ ভারতীয় গরু ও মহিষ।

  • জিরা, সুপারি এবং পেঁয়াজ।

  • প্রচুর পরিমাণে কমলা, মাল্টা ও আঙ্গুর।

  • অলিভ অয়েল এবং চোরাচালানের কাজে ব্যবহৃত একটি টাটা ট্রাক।

বিজিবির বক্তব্য: সিলেট ব্যাটালিয়নের (৪৮ বিজিবি) অধিনায়ক জানান, সীমান্তে নিরাপত্তা রক্ষা এবং চোরাচালান ও মাদকদ্রব্য পাচার রোধে বিজিবির গোয়েন্দা তৎপরতা ও আভিযানিক কার্যক্রম কঠোরভাবে অব্যাহত রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় এই বিশাল পরিমাণ চোরাই পণ্য জব্দ করা সম্ভব হয়েছে।

বৃত্তি পরীক্ষায় দেশসেরা তা’মীরুল মিল্লাত: মোট ২৬১ জনের সাফল্য

বৃত্তি পরীক্ষায় দেশসেরা তা’মীরুল মিল্লাত: মোট ২৬১ জনের সাফল্য

 অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ : শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২২:০০

 


বরাবরের মতো এবারও অষ্টম শ্রেণি ও ইবতেদায়ী বৃত্তি পরীক্ষায় দেশসেরা সাফল্য ধরে রেখেছে তা'মীরুল মিল্লাত কামিল মাদরাসা। প্রতিষ্ঠানটির তিনটি ক্যাম্পাস থেকে সর্বমোট ২৬১ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি পেয়ে অভূতপূর্ব এই গৌরব অর্জন করেছে।
​ক্যাম্পাস ভিত্তিক পরিসংখ্যান:
তা’মীরুল মিল্লাতের সাফল্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে:
​ঢাকা (মেইন ক্যাম্পাস): মোট ১১১ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি পেয়েছে।
​টঙ্গী ক্যাম্পাস: মোট ৮০ জন শিক্ষার্থী সাফল্য অর্জন করেছে।
​মহিলা ক্যাম্পাস: মোট ৭০ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি লাভ করেছে।
​অধ্যক্ষের অভিনন্দন:
মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অর্জিত এই সাফল্যে আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করেছেন মাদরাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ড. মুফতি খলিলুর রহমান মাদানী। তিনি এই সাফল্যের জন্য গভর্নিং বডি, শিক্ষক মণ্ডলী, অভিভাবক এবং শিক্ষার্থীদের আন্তরিক অভিনন্দন ও মোবারকবাদ জানিয়েছেন। সেই সঙ্গে ভবিষ্যতের এই ধারা বজায় রাখতে সবার কাছে দোয়া কামনা করেছেন তিনি।