মধ্যপ্রাচ্য লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
মধ্যপ্রাচ্য লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
জর্ডানে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের হামলা: ধ্বংস হলো ৩০ কোটি ডলারের থাড রাডার!

জর্ডানে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের হামলা: ধ্বংস হলো ৩০ কোটি ডলারের থাড রাডার!

 "উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ৩০ কোটি ডলারের একটি রাডার ধ্বংস করেছে ইরান। জর্ডানের মুওয়াফফাক সালতি বিমানঘাঁটিতে এই হামলা চালানো হয়।"

অনলাইন ডেস্ক 

প্রকাশ : শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ২২:৩০


তেহরান/ওয়াশিংটন: উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন সামরিক বাহিনীর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি রাডার ব্যবস্থা ধ্বংস করে দিয়েছে ইরান। ধ্বংস হওয়া এই রাডারটির আনুমানিক মূল্য প্রায় ৩০ কোটি ডলার। মার্কিন এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গ এই চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এনেছে।

যেভাবে ধ্বংস হলো রাডার: ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে বলা হয়, আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সিএনএন-এর বিশ্লেষণ করা স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা গেছে যে, জর্ডানের মুওয়াফফাক সালতি বিমানঘাঁটিতে এই হামলা চালানো হয়েছে। সেখানে যুক্তরাষ্ট্রের শক্তিশালী থাড (THAAD) ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় ব্যবহৃত 'এএন/টিপিওয়াই-২' রাডার এবং ব্যাটারিসহ অন্যান্য সহায়ক সরঞ্জাম সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে। যুদ্ধের একদম শুরুর দিকেই এই সফল হামলা চালায় ইরান। পরবর্তীতে যুক্তরাষ্ট্রের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাও আনুষ্ঠানিকভাবে এই সরঞ্জাম ধ্বংস হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মার্কিন সক্ষমতায় বড় ধাক্কা: বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই অত্যাধুনিক রাডার ধ্বংসের ফলে ভবিষ্যতে ওই অঞ্চলে যেকোনো ধরনের ব্যালিস্টিক বা ক্রুজ মিসাইল হামলা প্রতিহত করার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের আঞ্চলিক প্রতিরক্ষা সক্ষমতা অনেকটাই দুর্বল হয়ে পড়তে পারে। ব্লুমবার্গ তাদের প্রতিবেদনে আরও জানায়, বর্তমানে দক্ষিণ কোরিয়া এবং গুয়ামসহ সারাবিশ্বে যুক্তরাষ্ট্রের মোট আটটি থাড (THAAD) ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন রয়েছে।

বিপুল আর্থিক ক্ষতি: প্রতিরক্ষা বিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের (সিএসআইএস) তথ্য অনুযায়ী, এই থাড ব্যবস্থার একেকটি ব্যাটারির মূল্য প্রায় এক বিলিয়ন বা ১০০ কোটি ডলার। এর মধ্যে শুধুমাত্র এর শক্তিশালী রাডারটির পেছনেই ব্যয় হয় প্রায় ৩০ কোটি ডলার।

আরামকোতে হামলা ইরানের নয়, ইসরায়েলের ‘ফলস ফ্ল্যাগ’ অপারেশন! পরবর্তী লক্ষ্য আমিরাত?

আরামকোতে হামলা ইরানের নয়, ইসরায়েলের ‘ফলস ফ্ল্যাগ’ অপারেশন! পরবর্তী লক্ষ্য আমিরাত?

 "সৌদি আরবের আরামকো তেল স্থাপনায় হামলার পেছনে ইরানের হাত নেই; এটি ইসরায়েলের একটি ‘ফলস ফ্ল্যাগ’ অপারেশন। পরবর্তী হামলার লক্ষ্য হতে পারে আমিরাতের ফুজাইরাহ বন্দর।"

অনলাইন ডেস্ক 

প্রকাশ : মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৬:০০

আরামকোতে হামলা ইরানের নয়, ইসরায়েলের ‘ফলস ফ্ল্যাগ’ অপারেশন! পরবর্তী লক্ষ্য আমিরাত?
ছবি: সংগৃহীত

তেহরান: সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি আরামকোর স্থাপনায় যে সাম্প্রতিক হামলার ঘটনা ঘটেছে, তার পেছনে ইরানের কোনো হাত নেই। বরং এটি ছিল ইসরায়েলের একটি সুপরিকল্পিত 'ফলস ফ্ল্যাগ' বা ভুয়া পরিচয়ে চালানো গোপন সামরিক অপারেশন। ইরানের একটি শীর্ষ সামরিক সূত্রের বরাত দিয়ে দেশটির স্বনামধন্য গণমাধ্যম তাসনিম নিউজ এজেন্সি এই বিস্ফোরক দাবি করেছে।

হামলার নেপথ্য উদ্দেশ্য: তাসনিম নিউজের ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের আঞ্চলিক দেশগুলোকে বিভ্রান্ত করার জন্যই তেল আবিব এই চক্রান্ত করেছে। মূলত, ইরানের বিভিন্ন বেসামরিক স্থাপনায় ইসরায়েল যে অন্যায় ও অযৌক্তিক হামলা চালিয়েছে, তা থেকে বিশ্ববাসীর নজর ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতেই ছদ্মবেশে আরামকোকে নিশানা করা হয়েছে।

ইরানের প্রকাশ্য অবস্থান: সাক্ষাৎকারে ওই ইরানি সামরিক কর্মকর্তা স্পষ্ট জানান, এই অঞ্চলে থাকা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের যেকোনো স্বার্থ বা স্থাপনায় আঘাত হানার বিষয়ে ইরান সবসময় প্রকাশ্য ঘোষণা দিয়েই থাকে। ইতোমধ্যে তারা এমন অনেক লক্ষ্যবস্তুতে সফল হামলাও চালিয়েছে। কিন্তু কোনোভাবেই সৌদি আরবের আরামকো তেল স্থাপনা তাদের লক্ষ্যবস্তুর তালিকায় ছিল না।

আমিরাতে পরবর্তী হামলার শঙ্কা: সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর বিষয় হলো, ওই সামরিক সূত্রটি সতর্ক করে জানিয়েছে যে— তাদের হাতে আসা সর্বশেষ গোপন গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, ইসরায়েল খুব শিগগিরই সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহ (Fujairah) বন্দরেও ঠিক একই কায়দায় আরেকটি 'ফলস ফ্ল্যাগ' বা ছদ্মবেশী হামলা চালানোর গভীর ষড়যন্ত্র করছে।