নারী ও শিশু লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
নারী ও শিশু লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ফ্যামিলি কার্ড নারীর ক্ষমতায়ন ও মর্যাদা নিশ্চিত করবে: লালপুরে উন্মুক্ত বৈঠক

ফ্যামিলি কার্ড নারীর ক্ষমতায়ন ও মর্যাদা নিশ্চিত করবে: লালপুরে উন্মুক্ত বৈঠক

 "নাটোরের লালপুর উপজেলার টিটিয়া গ্রামে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির সুফল নিয়ে জেলা তথ্য অফিসের উদ্যোগে নারীদের নিয়ে এক উন্মুক্ত বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।"

নাটোর সংবাদদাতা প্রকাশ : বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ২০:০০


নাটোর: বর্তমান সরকারের যুগান্তকারী উদ্যোগ ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির বহুমুখী সুফল এবং এর ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে নাটোরের লালপুরে এক উন্মুক্ত বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১১ মার্চ) বেলা ১১টায় উপজেলার টিটিয়া গ্রামে জেলা তথ্য অফিসের উদ্যোগে এই সচেতনতামূলক সভার আয়োজন করা হয়।

কর্মসূচির মূল দর্শন ও সুফল: বৈঠকে উপস্থিত আলোচকরা বলেন, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির মূল ভিত্তি বা দর্শনই হলো— ‘ব্যক্তি নয়, পরিবারই হচ্ছে উন্নয়নের মূল একক’। এই কার্ড প্রদানের মাধ্যমে সমাজে নারীর অধিকার ও মর্যাদা সুনিশ্চিত হবে। এর পাশাপাশি পুরো পরিবারের খাদ্য নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য এবং শিক্ষার সার্বিক মানোন্নয়ন ঘটবে। বক্তারা আরও বলেন, এই কার্ড নারীদের মানসিক ও আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করে তুলবে, যার হাত ধরে দেশও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির পথে দ্রুত এগিয়ে যাবে।

পাইলট প্রকল্প ও আওতা: সংশ্লিষ্টরা জানান, দেশব্যাপী মোট ১৪টি স্থানে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির পাইলট প্রকল্প বা পরীক্ষামূলক বাস্তবায়ন চলছে, যার মধ্যে নাটোরের লালপুর অন্যতম। বর্তমানে অতিদরিদ্র, দরিদ্র ও নিম্নবিত্ত পরিবারগুলোকে এই সুবিধার আওতায় আনা হলেও, আগামীতে পর্যায়ক্রমে দেশের সব এলাকার মানুষকেই এই কার্ডের আওতাভুক্ত করা হবে বলে নিশ্চিত করেন বক্তারা।

সভাপতিত্ব ও অতিথিবৃন্দ: গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের নিয়মিত প্রচার কার্যক্রমের অংশ হিসেবে আয়োজিত এই উন্মুক্ত বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন জেলা সহকারী তথ্য অফিসার মো. রেজওয়ান মোর্শেদ। এতে আরও বক্তব্য রাখেন লালপুর উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মোছা. শাহীনা সুলতানা এবং বেসরকারি সংস্থা ব্র্যাকের সিনিয়র টেকনিক্যাল অফিসার মো. মফিজুল ইসলাম।

বৈঠকে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার শতাধিক নারী স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। আলোচনা পর্ব শেষে উপস্থিত দর্শনার্থীদের সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ফ্যামিলি কার্ড বিষয়ক একটি বিশেষ প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

নারীর ক্ষমতায়ন ছাড়া দেশের অগ্রগতি অসম্ভব: ফ্যামিলি কার্ড উদ্বোধনকালে প্রধানমন্ত্রী

নারীর ক্ষমতায়ন ছাড়া দেশের অগ্রগতি অসম্ভব: ফ্যামিলি কার্ড উদ্বোধনকালে প্রধানমন্ত্রী

 "রাজধানীর কড়াইল বস্তি এলাকায় ফ্যামিলি কার্ড উদ্বোধনকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন ছাড়া দেশের অগ্রগতি সম্ভব নয়। আগামী ৫ বছরে ৪ কোটি পরিবার পাবে এই সুবিধা।"

নিজস্ব প্রতিবেদক 

প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২০:৩০

ছবি: সংগৃহীত/বাসস

দেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠী নারীদের অর্থনৈতিক ও শিক্ষাগত ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করা ছাড়া বাংলাদেশকে কোনোভাবেই সামনে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকালে রাজধানীর বনানীতে কড়াইল বস্তি সংলগ্ন টিঅ্যান্ডটি মাঠে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। নারী ও শিশু এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনের সভাপতিত্বে এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।

নারীর ক্ষমতায়ন ও ফ্যামিলি কার্ডের পরিধি: সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার শাসনামলের উদাহরণ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া মেয়েদের স্কুল থেকে উচ্চমাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত শিক্ষাব্যবস্থা অবৈতনিক করেছিলেন। বর্তমান সরকার সেই শিক্ষিত নারী সমাজকেই এখন আর্থিকভাবে সচ্ছল ও ক্ষমতায়িত করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। তারই অংশ হিসেবে সারা দেশে পর্যায়ক্রমে এই ফ্যামিলি কার্ড চালু করা হচ্ছে।

পাইলট প্রকল্পের আওতায় বর্তমানে দেশের ১৪টি উপজেলা বা স্থানে একযোগে এই কর্মসূচির কাজ শুরু হয়েছে, যেখানে যুক্ত হয়েছেন প্রায় ৩৭ হাজার নারী। এর মধ্যে উদ্বোধনী দিনেই রাজধানীর কড়াইল, ভাসানটেক এবং সাততলা বস্তি এলাকার প্রায় ১৫ হাজার নারীকে এই ফ্যামিলি কার্ড হস্তান্তর করা হয়। আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে দেশের চার কোটি নারীপ্রধান পরিবারে এই কার্ড পৌঁছে দেওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী।

কৃষকদের জন্য সুখবর ও অন্যান্য প্রতিশ্রুতি: সরকার গঠনের এক মাসেরও কম সময়ের মধ্যে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পূরণের কাজ শুরু করতে পারায় মহান আল্লাহর প্রতি শুকরিয়া আদায় করেন তারেক রহমান। এটি তাঁর জন্য অত্যন্ত আবেগঘন ও ঐতিহাসিক একটি দিন উল্লেখ করে তিনি জানান, ফ্যামিলি কার্ডের পাশাপাশি খুব শিগগিরই কৃষকদের জন্য ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ শুরু হবে, যা আগামী মাসের মধ্যেই অনেক কৃষকের হাতে পৌঁছাবে।

এছাড়া নির্বাচনী ওয়াদা অনুযায়ী, ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত যাদের কৃষিঋণ ছিল, গত সপ্তাহেই তা সুদসহ সম্পূর্ণ মওকুফ করে দেওয়া হয়েছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।

জনগণের কাছে দায়বদ্ধতা ও প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতাসহ বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের কাছে দেশবাসীর অনেক প্রত্যাশা রয়েছে এবং সরকার তার দেওয়া কোনো প্রতিশ্রুতি থেকে বিন্দুমাত্র সরবে না। তবে বৈশ্বিক প্রতিকূলতার কারণে ক্ষেত্রবিশেষে কিছু কাজ বাস্তবায়নে কিছুটা বেশি সময় লাগতে পারে জানিয়ে তিনি জনগণকে ধৈর্য ধারণ করার আহ্বান জানান। নিজের বক্তব্যের শেষে তিনি তার সেই বহুল পরিচিত নির্বাচনী স্লোগান— "করব কাজ, গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ" উচ্চারণ করেন।

উপস্থিত নারীদের উচ্ছ্বাস: এর আগে সকাল ১০টা ৩৫ মিনিটে অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছে প্রধানমন্ত্রী সরাসরি মঞ্চে না উঠে মাঠে অপেক্ষমাণ সাধারণ নারীদের কাছে ছুটে যান। দেশের সরকারপ্রধানকে এতটা আপন করে কাছে পেয়ে উপস্থিত নারীরা আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন এবং উচ্ছ্বসিত কণ্ঠে স্লোগান দিতে থাকেন।

৫ বছরে ৪ কোটি নারীর হাতে পৌঁছাবে ফ্যামিলি কার্ড: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

৫ বছরে ৪ কোটি নারীর হাতে পৌঁছাবে ফ্যামিলি কার্ড: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

 "নারীপ্রধান পরিবারগুলোকে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করতে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আগামী ৫ বছরে দেশের ৪ কোটি পরিবার এই সুবিধা পাবে।"

নিজস্ব প্রতিবেদক 

প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ১৭:৪৫

ছবি: পিআইডি / সংগৃহীত

আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে পর্যায়ক্রমে দেশের চার কোটি পরিবারকে 'ফ্যামিলি কার্ড' সুবিধার আওতায় নিয়ে আসার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। নারীপ্রধান পরিবারগুলোকে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করার লক্ষ্যেই বর্তমান সরকার এই যুগান্তকারী কর্মসূচি হাতে নিয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ও উপস্থিতি: মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকালে রাজধানীর কড়াইল বস্তি সংলগ্ন বনানী টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে আনুষ্ঠানিকভাবে এই ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। মহিলা ও শিশু এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ড. জুবাইদা রহমানও উপস্থিত ছিলেন।

নারীর ক্ষমতায়নে ফ্যামিলি কার্ড: উদ্বোধনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, দেশের মোট জনসংখ্যার অর্ধেকই নারী। তাই নারীদের শিক্ষা এবং অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করা ছাড়া বাংলাদেশের সামগ্রিক উন্নয়ন কোনোভাবেই সম্ভব নয়।

তিনি জানান, প্রাথমিকভাবে সারা দেশের ১৪টি স্থানে বা উপজেলায় এই কর্মসূচির কাজ শুরু হয়েছে, যেখানে এই মুহূর্তে প্রায় ৩৭ হাজার নারী অংশ নিচ্ছেন। এর মধ্যে শুধু রাজধানীর কড়াইল, ভাসানটেক এবং সাততলা বস্তি এলাকার প্রায় ১৫ হাজার নারীকে আজ এই ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনা হয়েছে।

নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন: নির্বাচনী ইশতেহারের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "নির্বাচনের সময় আমরা জনগণকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, সরকার গঠনের এক মাস পূর্ণ হওয়ার আগেই তা বাস্তবায়ন করতে পেরেছি। এ জন্য মহান আল্লাহর কাছে শুকরিয়া।"

জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত সরকার হিসেবে বর্তমান সরকার সাধারণ মানুষের কাছে দায়বদ্ধ উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, আজকের দিনটি একটি ঐতিহাসিক ও স্মরণীয় দিন। সরকার সব সময় জনগণের কাছে নিজের কাজের জবাবদিহি করতে বাধ্য।

নারী ও শিশুর নিরাপত্তায় ব্যর্থতার দায় সরকারের: মহিলা জামায়াত

নারী ও শিশুর নিরাপত্তায় ব্যর্থতার দায় সরকারের: মহিলা জামায়াত

 অনলাইন ডেস্ক 

প্রকাশ : শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:৫৪

ছবি: সংগৃহীত


ঢাকা: দেশের ১৮ কোটি মানুষের, বিশেষ করে নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হওয়ার দায় সম্পূর্ণভাবে সরকার ও প্রশাসনকেই নিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মহিলা বিভাগের নেতৃবৃন্দ।

নারী ও শিশু নির্যাতন এবং ক্রমবর্ধমান সহিংসতার প্রতিবাদে শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত এক মানববন্ধনে বক্তারা এসব কথা বলেন।

নেতৃবৃন্দের বক্তব্য: মানববন্ধনে জামায়াতের মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি মুছাম্মত রুকসিনা সিদ্দিকা বলেন, "আইন শুধু বইয়ের পাতায় থাকলেই হবে না, তার বাস্তব প্রয়োগ জরুরি। পূর্ববর্তী অপরাধগুলোর সঠিক বিচার হলে আজ তাহিয়া আমিনাসহ অন্য নারী ও শিশুদের জীবন দিতে হতো না।"

কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য আমেনা বেগম বর্তমান পরিস্থিতিকে 'নব্য আইয়ামে জাহেলিয়াত'-এর সঙ্গে তুলনা করে বলেন, রমজানের মতো শান্তির মাসেও শিশুদের ওপর নির্যাতনের প্রতিবাদে রাস্তায় নামতে হচ্ছে, যা অত্যন্ত লজ্জাজনক।

১০ দফা দাবি পেশ: অনুষ্ঠানে নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মার্জিয়া বেগম ১০ দফা দাবি তুলে ধরেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য দাবিগুলো হলো:

  • সাংবিধানিক দায়িত্ব হিসেবে নারী ও শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

  • অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতি বন্ধ করা।

  • রাজনৈতিক পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা।

  • অপরাধীদের রক্ষায় প্রভাবশালী চক্রের হস্তক্ষেপ বন্ধ করা।

  • মামলা গ্রহণে পুলিশের গাফিলতি থাকলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া।

মানববন্ধনে আরও উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ ও আইন বিষয়ক সম্পাদক ডা. সাকিবুন্নাহার মুন্নী, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি জান্নাতুল কারীম, উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি আমেনা বেগম এবং রাজনীতি বিষয়ক সম্পাদক ডা. হাবিবা চৌধুরী সুইট প্রমুখ।