ধর্ম ও সমাজ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ধর্ম ও সমাজ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ভেদাভেদ ভুলে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগির আহ্বান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের

ভেদাভেদ ভুলে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগির আহ্বান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের

 "পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশবাসী ও বিশ্বের সকল মুসলমানকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বাণীতে তিনি ধনী-গরিবের ভেদাভেদ ভুলে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করার আহ্বান জানান।"

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশ : শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ২১:৪০

ছবি: ফাইল ছবি / পিএমও

ঢাকা: পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশবাসীসহ বিশ্বের সকল মুসলমানকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এই আনন্দঘন উৎসব দেশের মানুষের মাঝে জাতীয় ঐক্য, পারস্পরিক সম্প্রীতি ও সহমর্মিতার বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করবে বলে তিনি গভীর প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন।

শুক্রবার (২০ মার্চ) পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিশেষ বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এই শুভেচ্ছা বার্তা ও প্রত্যাশার কথা জানান।

রমজানের শিক্ষা ও আত্মশুদ্ধি: শুভেচ্ছা বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "مسلم (মুসলিম) সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় দুটি ধর্মীয় উৎসবের মধ্যে ঈদুল ফিতর অন্যতম। দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনা ও সংযম পালনের পর এই ঈদ আমাদের ব্যক্তি ও সমাজজীবনে অনাবিল আনন্দ, শান্তি ও ভ্রাতৃত্বের মহান বার্তা নিয়ে আসে।"

পবিত্র রমজান মাসের ত্যাগের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি আরও বলেন, "রমজান মাস আমাদের আত্মসংযম, খেদমত ও আত্মশুদ্ধির এক অনন্য শিক্ষা দেয়। এক মাসের এই কঠোর সাধনা আমাদের অন্যের দুঃখ-কষ্ট গভীরভাবে অনুভব করতে শেখায়, যার মাধ্যমে সমাজে একে অপরের প্রতি সহযোগিতার মনোভাব জাগ্রত হয়। এই শিক্ষাকে ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ এবং রাষ্ট্রীয় জীবনে সঠিকভাবে কাজে লাগানোই হলো ঈদের প্রকৃত তাৎপর্য।"

সম্প্রীতি ও উন্নত বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান: ঈদের এই আনন্দের দিনে সমাজের অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর উদাত্ত আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, "ঈদ আমাদের ধনী-গরিব, ছোট-বড় সব ভেদাভেদ ভুলে পারস্পরিক ভালোবাসা ও ভ্রাতৃত্বের এক মজবুত বন্ধনে আবদ্ধ হতে শেখায়। আসুন, আমরা সবাই মিলে সমাজের দরিদ্র মানুষের সাথে ঈদের এই আনন্দ সমানভাবে ভাগাভাগি করে নিই— এটাই হোক আমাদের আজকের অঙ্গীকার।"

ঈদের এই মহান আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে একটি মানবিক, শান্তিপূর্ণ, উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করারও আহ্বান জানান তিনি।

দেশ ও উম্মাহর কল্যাণে প্রার্থনা: বাণীর শেষাংশে প্রধানমন্ত্রী মহান আল্লাহ তাআলার দরবারে মোনাজাত করে বলেন, "মহান রবের কাছে প্রার্থনা করি, তিনি যেন পবিত্র ঈদুল ফিতরের রহমত, বরকত ও অনাবিল আনন্দ আমাদের সবার জীবনে বর্ষণ করেন। আল্লাহ আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি ও জাতিকে শান্তি ও অগ্রগতির পথে এগিয়ে নিন এবং সমগ্র মুসলিম উম্মাহর সার্বিক কল্যাণ নিশ্চিত করুন।"

মসজিদে মসজিদে উপচে পড়া ভিড়: দেশ ও উম্মাহর শান্তিকামনায় জুমাতুল বিদা পালিত

মসজিদে মসজিদে উপচে পড়া ভিড়: দেশ ও উম্মাহর শান্তিকামনায় জুমাতুল বিদা পালিত

 "পবিত্র মাহে রমজানের শেষ শুক্রবার সারা দেশে চরম ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে জুমাতুল বিদা পালিত হয়েছে। মসজিদে মসজিদে দেশ ও মুসলিম উম্মাহর শান্তিকামনায় বিশেষ দোয়া করা হয়।"

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশ : শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ২১:৪০

ছবি: বাসস / সংগৃহীত

ঢাকা: পবিত্র মাহে রমজানের শেষ শুক্রবার আজ। দেশব্যাপী চরম ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে পবিত্র জুমাতুল বিদা পালিত হয়েছে। জুমার নামাজের পর মহান আল্লাহর দরবারে দেশ, জাতি এবং সমগ্র মুসলিম উম্মাহর সার্বিক শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

মসজিদগুলোতে মুসল্লিদের ঢল: পবিত্র রমজান মাসের শেষ শুক্রবার হওয়ায় আজ দেশের প্রতিটি মসজিদে ছিল ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের উপচে পড়া ভিড়। মূল ভবনে স্থান সংকুলান না হওয়ায় অনেক জায়গায় মুসল্লিদের মসজিদের ছাদ, আঙিনা কিংবা পাশের রাস্তায় কাতারবদ্ধ হয়ে নামাজ আদায় করতে দেখা গেছে। রাজধানীর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদসহ সারাদেশের ছোট-বড় সব মসজিদে আজ জুমার নামাজে অংশ নেন লাখো মুসল্লি।

খুতবায় তাৎপর্য বর্ণনা: জুমার মূল নামাজ শুরু হওয়ার আগে মসজিদের খতিব ও আলেমগণ পবিত্র রমজান মাস এবং জুমাতুল বিদার বিশেষ তাৎপর্য, ফজিলত ও করণীয় নিয়ে সারগর্ভ আলোচনা পেশ করেন। এ সময় তারা রমজানের আত্মশুদ্ধির শিক্ষা বছরের বাকি ১১ মাস নিজেদের ব্যক্তি ও সমাজজীবনে প্রতিফলিত করার উদাত্ত আহ্বান জানান।

চোখের জলে বিশেষ মোনাজাত: নামাজ শেষে অনুষ্ঠিত হয় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত। এ সময় মসজিদে ইতিকাফরত ধর্মপ্রাণ মুসল্লিসহ সাধারণ মানুষ নিজেদের যাবতীয় গুনাহ মাফের জন্য মহান রবের কাছে আকুতি জানান। দুহাত তুলে চোখের জলে তারা মৃত পিতা-মাতা, আত্মীয়স্বজন এবং অসুস্থদের সুস্থতা কামনা করেন। একই সাথে নিজেদের পরিবার, সমাজ, প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ এবং বিশ্বজুড়ে অবস্থানরত মুসলিম উম্মাহর সার্বিক শান্তি, মুক্তি ও ঐক্যের জন্য মহান আল্লাহর দরবারে ফরিয়াদ জানানো হয়।

ঐক্য, নৈতিকতা ও মানবিক নেতৃত্বেই দেশ এগোবে: টঙ্গীতে ডা. শফিকুর রহমান

ঐক্য, নৈতিকতা ও মানবিক নেতৃত্বেই দেশ এগোবে: টঙ্গীতে ডা. শফিকুর রহমান

 "টঙ্গীতে তা’মীরুল মিল্লাত কামিল মাদরাসার অ্যালামনাই ইফতার মাহফিলে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ঐক্য, নৈতিকতা ও মানবিক নেতৃত্বেই দেশ এগোবে।"

নিজস্ব প্রতিবেদক 

প্রকাশ : সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ২২:৩০

ছবি: সংগৃহীত

গাজীপুর: পবিত্র রমজান মাস মানুষকে আত্মশুদ্ধি, নৈতিকতা ও মানবিকতার মহান শিক্ষা দেয়। এই মূল্যবোধগুলো যদি ব্যক্তিজীবন থেকে শুরু করে সমাজ ও রাষ্ট্র পরিচালনায় প্রতিফলিত হয়, তবেই একটি ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

সোমবার (১৬ মার্চ) বিকেলে গাজীপুরের টঙ্গীতে তা’মীরুল মিল্লাত কামিল মাদরাসা অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে আয়োজিত এক ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

নৈতিকতাসম্পন্ন তরুণ প্রজন্মের আহ্বান: ডা. শফিকুর রহমান বলেন, "সমাজে ঈমানদার ও মুত্তাকি মানুষের সংখ্যা যত বাড়বে, সমাজ ততটাই সুস্থ ও সুন্দর হয়ে উঠবে। এর উল্টোটা হলে সমাজ ধ্বংসের দিকে ধাবিত হবে।" জাতি গঠনে চরিত্রবান তরুণদের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, "আমাদের মেধাবী তরুণ দরকার, তবে কোনো 'ইভিল ট্যালেন্ট' বা ক্ষতিকর মেধা আমরা চাই না। আমরা এমন তরুণ প্রজন্ম চাই, যাদের অন্তরে দেশপ্রেম, মানুষের প্রতি ভালোবাসা এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ থাকবে।"

জুলাই বিপ্লবের শহীদদের স্মরণ ও অ্যালামনাইদের সাফল্য: তা’মীরুল মিল্লাত কামিল মাদরাসার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের কথা স্মরণ করে জামায়াতের আমির বলেন, এই প্রতিষ্ঠানটি দেশপ্রেমিক ও দক্ষ নেতৃত্ব তৈরির জন্যই প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। আজ এই প্রতিষ্ঠানের তিনজন গর্বিত শিক্ষার্থী জনগণের বিপুল ভোটে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে দেশসেবার সুযোগ পেয়েছেন, যা এই মাদরাসার সফলতারই বড় প্রমাণ। এ সময় তিনি জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে শহীদ হওয়া পাঁচজন ছাত্রের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, "জ্ঞান অন্বেষণের কোনো বিকল্প নেই। পাঠ্যবইয়ের সাথে নিবিড় সম্পর্ক রাখার পাশাপাশি নিজেদেরকে জ্ঞান, নৈতিকতা ও চরিত্রে বলীয়ান করে গড়ে তুলতে হবে।"

অতিথিবৃন্দ ও অন্যান্য আয়োজন: তা’মীরুল মিল্লাত কামিল মাদরাসা টঙ্গী অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি অ্যাডভোকেট মাওলানা আতিকুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল এহসানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বেশ কয়েকজন সংসদ সদস্য সংবর্ধিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন পাবনা-১ আসনের এমপি ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন, গাজীপুর-৪ আসনের এমপি সালাহ উদ্দিন আইয়ুবী, শেরপুর-১ আসনের হাফেজ মো. রাশেদুল ইসলাম এবং নোয়াখালী-৬ আসনের আ. হান্নান মাসুদ।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন তা’মীরুল মিল্লাত কামিল মাদরাসা টঙ্গীর অধ্যক্ষ ড. হিফজুর রহমান, ঢাকার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ড. খলিলুর রহমান মাদানী, জামায়াতে ইসলামীর নির্বাহী পরিষদ সদস্য আব্দুর রব, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম এবং ইসলামী ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ সিগবাহ।

শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন আব্দুল্লাহ আল জাওয়াদ এবং পরে ইসলামী সংগীত পরিবেশন করে তুরাগ শিল্পী গোষ্ঠী। অনুষ্ঠান শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর সার্বিক কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন টঙ্গী ক্যাম্পাসের উপাধ্যক্ষ মাওলানা মিজানুর রহমান।

নির্বাচন-পরবর্তী হতাশা ঝেড়ে ফেলার আহ্বান: গুরুদাসপুরে জামায়াতের রুকন শিক্ষা শিবির

নির্বাচন-পরবর্তী হতাশা ঝেড়ে ফেলার আহ্বান: গুরুদাসপুরে জামায়াতের রুকন শিক্ষা শিবির

 "নাটোরের গুরুদাসপুরে মডেল মসজিদ কমপ্লেক্সে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর রুকন শিক্ষা শিবির অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে নির্বাচন-পরবর্তী হতাশা ভুলে আগামী দিনের প্রস্তুতির আহ্বান জানানো হয়।"

গুরুদাসপুর (নাটোর) সংবাদদাতা 

প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২০:০৫


নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে রুকন শিক্ষা শিবির অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) উপজেলার মডেল মসজিদ কমপ্লেক্সে সংগঠনের রুকনদের নিয়ে এই শিবিরের আয়োজন করা হয়।

​অতিথিদের উপস্থিতি:

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য প্রদান করেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র এবং জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যক্ষ মো. নজরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নাটোর জেলা জামায়াতের আমির ড. মীর নুরুল ইসলাম, জেলা সেক্রেটারি অধ্যাপক মো. সাদিকুর রহমান এবং সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা মো. আব্দুল হাকিম।

​সভাপতিত্ব ও দিকনির্দেশনা:

গুরুদাসপুর উপজেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক মো. আব্দুল আলীমের সভাপতিত্ব ও সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এই শিক্ষা শিবিরে বক্তারা দলের কর্মীদের নানা দিকনির্দেশনা দেন। তারা বলেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের হতাশা থাকলে তা পুরোপুরি ঝেড়ে ফেলতে হবে। এখন সময় আগামী দিনের জন্য নতুন করে প্রস্তুতি নেওয়ার এবং সংগঠনের সার্বিক কার্যক্রমে নিজেদের পূর্ণাঙ্গভাবে আত্মনিয়োগ করার। একটি আদর্শ ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় জামায়াতে ইসলামীর রুকনদেরই সবচেয়ে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে বলে মন্তব্য করেন তারা।

​উক্ত রুকন শিক্ষা শিবিরে গুরুদাসপুর উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের সকল রুকন স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। আলোচনা ও প্রশিক্ষণ শেষে দেশ, জাতি এবং মুসলিম উম্মাহর সার্বিক কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।


দারিদ্র্য বিমোচনে জাকাত বোর্ড পুনর্গঠনের সিদ্ধান্ত, কার্যকর ব্যবস্থাপনার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

দারিদ্র্য বিমোচনে জাকাত বোর্ড পুনর্গঠনের সিদ্ধান্ত, কার্যকর ব্যবস্থাপনার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

 "দেশে জাকাত ব্যবস্থাপনাকে কার্যকর করতে এবং দারিদ্র্য বিমোচনে জাকাত বোর্ড পুনর্গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।"

অনলাইন ডেস্ক 

প্রকাশ : সোমবার, ০৯ মার্চ ২০২৬, ২১:৪০

ছবি: সংগৃহীত

দেশে জাকাত আদায় ও বণ্টন ব্যবস্থাকে কীভাবে আরও বেশি সুশৃঙ্খল এবং কার্যকর করা যায়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (৯ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে জাকাত ব্যবস্থাপনা নিয়ে আয়োজিত এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে তিনি এই নির্দেশনা প্রদান করেন।


বৈঠকের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত:

প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম রনি গণমাধ্যমের কাছে এই বৈঠকের বিষয়বস্তু নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, দেশে একটি সুষ্ঠু জাকাত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে কীভাবে দ্রুততম সময়ে দারিদ্র্য বিমোচন করা সম্ভব, মূলত তা নিয়েই বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এর পাশাপাশি সরকারি জাকাত বোর্ডকে নতুন করে ঢেলে সাজানো বা পুনর্গঠনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে এই সভায়।


কমিটি গঠনের সুপারিশ:

এই বোর্ড পুনর্গঠন এবং ব্যবস্থাপনার জন্য একটি বিশেষ কমিটি গঠনের সুপারিশ করা হয়েছে। ধর্মমন্ত্রী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদের নেতৃত্বে এই কমিটিতে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব আল্লামা মুফতি আবদুল মালেক এবং আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহসহ দেশের শীর্ষস্থানীয় কয়েকজন ইসলামী অর্থনীতিবিদ ও আলেমকে রাখার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।


আগামী ১০ দিনের মধ্যে ধর্ম মন্ত্রণালয় এই পূর্ণাঙ্গ কমিটির সদস্যদের নাম প্রস্তাব করবে বলে জানিয়েছেন জাহিদুল ইসলাম রনি। পরবর্তীতে এই কমিটি জাকাত বোর্ড পুনর্গঠন বিষয়ে তাদের চূড়ান্ত সুপারিশ প্রধানমন্ত্রীর কাছে জমা দেবে।


বৈঠকের প্রেক্ষাপট:

উল্লেখ্য, গত শনিবার (৭ মার্চ) আলেম-ওলামা ও এতিমদের সম্মানে আয়োজিত এক ইফতার মাহফিলে প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, সুষ্ঠুভাবে জাকাত ব্যবস্থাপনা করা গেলে আগামী ১০ থেকে ১৫ বছরের মধ্যেই দেশ থেকে দারিদ্র্য দূর করা সম্ভব। মূলত তার সেই বক্তব্যের আলোকেই আজকের এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এদিনের বৈঠকে ধর্মমন্ত্রী ও শায়খ আহমাদুল্লাহ ছাড়াও ধর্মসচিব মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদ উপস্থিত ছিলেন।

আলেম-ওলামা ও এতিমদের সম্মানে যমুনায় প্রধানমন্ত্রীর ইফতার, জাকাত বোর্ড পুনর্গঠনের ঘোষণা

আলেম-ওলামা ও এতিমদের সম্মানে যমুনায় প্রধানমন্ত্রীর ইফতার, জাকাত বোর্ড পুনর্গঠনের ঘোষণা

 "রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় আলেম-ওলামা ও এতিমদের সম্মানে ইফতার মাহফিলের আয়োজন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। অনুষ্ঠানে তিনি জাকাত বোর্ড পুনর্গঠন ও দারিদ্র্য বিমোচনের কথা জানান।"

নিজস্ব প্রতিবেদক 

প্রকাশ : শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ২২:৪৫

ছবি: সংগৃহীত

দেশের আলেম সমাজ এবং এতিম শিশুদের সম্মানে এক বিশেষ ইফতার মাহফিলের আয়োজন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার (৭ মার্চ) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এই মহতী আয়োজন সম্পন্ন হয়।

প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতি ও কুশল বিনিময়: এদিন বিকেল সোয়া ৫টার দিকে ইফতার মাহফিলে উপস্থিত হন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। অনুষ্ঠানস্থলে এসেই তিনি আগত অতিথিদের সাথে অত্যন্ত আন্তরিকভাবে কুশল বিনিময় করেন। এরপর বিকেল ৫টা ৩৫ মিনিটে উপস্থিত সবার উদ্দেশে তিনি দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন।

বক্তব্যের মূল বিষয়বস্তু: বক্তব্যের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী বলেন, সাধারণত প্রতি বছর পবিত্র রমজানের প্রথম দিনেই তিনি আলেম-ওলামাদের সম্মানে ইফতারের আয়োজন করে থাকেন, তবে বর্তমান পরিস্থিতির কারণে এবার কিছুটা বিলম্ব হয়ে গেল। এতিমদের কল্যাণে বর্তমান রাষ্ট্র ও সরকারের অবস্থান কতটা আন্তরিক, তা এই আয়োজনের মাধ্যমেই স্পষ্ট হয় বলে উল্লেখ করেন তিনি।

পবিত্র রমজান মাসেও যারা নানা অসাধু পন্থা অবলম্বন করছেন, তাদের প্রতি কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "আপনাদের প্রতি আহ্বান জানাই, জনগণের ওপর কোনো জুলুম করবেন না"।

জাকাত বোর্ড পুনর্গঠন ও দারিদ্র্য বিমোচন: দারিদ্র্য বিমোচনে জাকাতের অপরিসীম গুরুত্ব তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সুপরিকল্পিতভাবে জাকাতের অর্থ বণ্টন করা সম্ভব হলে সহজেই দারিদ্র্য মোকাবিলা করা যাবে। এ লক্ষ্যে খুব শিগগিরই জাকাত বোর্ডকে পুনর্গঠন করা হবে বলেও জানান তিনি। আগামী ১০ থেকে ১৫ বছরের মধ্যে দেশ থেকে সম্পূর্ণরূপে দারিদ্র্য দূর করতে সরকার সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাবে বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী।

উপস্থিত অতিথি ও শায়খ আহমাদুল্লাহর প্রস্তাব: এই মহতী ইফতার আয়োজনে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ধর্মমন্ত্রী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ, সমাজকল্যাণ, মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. আবু জাফর মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ এবং বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মাওলানা আব্দুল মালেক।

অনুষ্ঠানে শায়খ আহমাদুল্লাহ তার বক্তব্যে জানান, বর্তমানে দেশের কওমি মাদরাসাগুলোতেই প্রায় সাত লাখ এতিম শিশু লালন-পালন করা হচ্ছে। এছাড়া দেশজুড়ে থাকা প্রায় চার লাখ মসজিদের ইমামদের সম্পৃক্ত করে সমাজের নানা ধরনের কল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য তিনি সরকারের প্রতি বিশেষ আহ্বান জানান।