আন্তর্জাতিক লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
আন্তর্জাতিক লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ট্রিগারে আঙুল’ রেখে প্রস্তুত হুথি যোদ্ধারা, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে কড়া হুঁশিয়ারি

ট্রিগারে আঙুল’ রেখে প্রস্তুত হুথি যোদ্ধারা, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে কড়া হুঁশিয়ারি

 "যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইয়েমেনের হুথি গোষ্ঠী। গাজায় যুদ্ধবিরতি এবং ইরানসহ অন্যান্য দেশের ওপর হামলা বন্ধ না হলে সরাসরি সামরিক হস্তক্ষেপের ঘোষণা দিয়েছে তারা।"

আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রকাশ : শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬, ১৯:৫০

তথ্যসূত্র ও ছবি: আল জাজিরা / সংগৃহীত

সানা: গাজা যুদ্ধ ও মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার মধ্যেই এবার যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলকে চরম হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হুথি। নির্দিষ্ট কিছু শর্ত পূরণ হলে হুথি যোদ্ধারা যেকোনো মুহূর্তে সরাসরি সামরিক হস্তক্ষেপ করতে প্রস্তুত এবং তাদের ‘ট্রিগারে আঙুল’ রয়েছে বলে কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছে।

হুথিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি এক বিবৃতিতে মোট পাঁচটি পয়েন্ট উল্লেখ করে এই হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। তিনি অবিলম্বে ইরান, লেবাননসহ ‘প্রতিরোধের অক্ষভুক্ত’ দেশগুলোর সাথে সংঘাত নিরসনে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় সাড়া দিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের প্রতি আহ্বান জানান।

হুথিদের প্রধান দাবি ও বক্তব্য: হুথি মুখপাত্র বলেন, ফিলিস্তিন, লেবানন, ইরাক এবং ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের এই আগ্রাসন সম্পূর্ণ অন্যায়, নিপীড়নমূলক এবং অযৌক্তিক। এর ফলে শুধু বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক নিরাপত্তাই বিঘ্নিত হচ্ছে না, চরম ক্ষতির মুখে পড়ছে গোটা বিশ্বের অর্থনীতি।

একই সাথে তিনি গাজায় অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি কার্যকর, মানবিক সহায়তা পৌঁছানোর সুযোগ দেওয়া এবং ফিলিস্তিনিদের বৈধ অধিকার নিশ্চিত করার জোর দাবি জানান। পাশাপাশি ইয়েমেনের ওপর থেকে সকল প্রকার 'অন্যায্য অবরোধ' তুলে নেওয়ারও আহ্বান জানান তিনি।

যেসব শর্তে সরাসরি যুদ্ধে জড়াবে হুথিরা: বিবৃতিতে ইয়াহিয়া সারি সুস্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করেন যে, নিচের পরিস্থিতিগুলো তৈরি হলে হুথি যোদ্ধারা কালবিলম্ব না করে সরাসরি সামরিক হস্তক্ষেপে অংশ নেবে:

  • যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাথে যদি নতুন কোনো দেশ ইরানের বিরুদ্ধে চলমান এই যুদ্ধে যোগ দেয়।

  • ইরান কিংবা অন্য কোনো মুসলিম দেশকে লক্ষ্যবস্তু বানানোর জন্য যদি লোহিত সাগরকে ব্যবহার করা হয়।

  • ইরান এবং মধ্যপ্রাচ্যে ‘প্রতিরোধের অক্ষের’ বিরুদ্ধে যদি সামরিক হামলার তীব্রতা আরও বাড়ানো হয়।

সবশেষে, ইয়েমেনের সাধারণ জনগণের ওপর নতুন করে অবরোধ জোরদার করার যেকোনো হঠকারী বা ‘অন্যায্য পদক্ষেপের’ বিরুদ্ধেও কঠোর সতর্কবাণী উচ্চারণ করেন এই হুথি নেতা।

যুক্তরাজ্যে আঘাত হানার সক্ষমতা নেই ইরানের, ইসরায়েলের দাবি ওড়াল লন্ডন

যুক্তরাজ্যে আঘাত হানার সক্ষমতা নেই ইরানের, ইসরায়েলের দাবি ওড়াল লন্ডন

 "ইরানের কাছে লন্ডনে আঘাত হানার মতো দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে, ইসরায়েলের এমন দাবির সপক্ষে কোনো প্রমাণ পায়নি যুক্তরাজ্য। ব্রিটিশ মন্ত্রী স্টিভ রিড এই দাবি নাকচ করেছেন।"

আন্তর্জাতিক ডেস্ক 

প্রকাশ : রোববার, ২২ মার্চ ২০২৬, ১৯:৪৫

তথ্যসূত্র ও ছবি: বিবিসি / সংগৃহীত

লন্ডন: ইরানের কাছে লন্ডনে আঘাত হানার মতো দূরপাল্লার কোনো ক্ষেপণাস্ত্র আছে বলে মনে করে না যুক্তরাজ্য। ইসরায়েলের সামরিক বাহিনীর (আইডিএফ) এমন দাবির সপক্ষে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন যুক্তরাজ্যের একজন শীর্ষ ক্যাবিনেট মন্ত্রী।

ভারত মহাসাগরের চাগোস দ্বীপপুঞ্জে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের একটি যৌথ সামরিক ঘাঁটিতে শুক্রবার (২০ মার্চ) রাতে ইরানের হামলার পরই এই মন্তব্য সামনে এলো।

ইসরায়েলের দাবি ও যুক্তরাজ্যের প্রতিক্রিয়া: শনিবার আইডিএফ দাবি করেছিল যে, তেহরানের অস্ত্রভাণ্ডারে এমন দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে যা চার হাজার কিলোমিটার দূর পর্যন্ত নিখুঁতভাবে আঘাত হানতে সক্ষম।

তবে ইসরায়েলের এই দাবির পরিপ্রেক্ষিতে যুক্তরাজ্যের আবাসন বিষয়ক মন্ত্রী স্টিভ রিড সংবাদমাধ্যম বিবিসিকে বলেন, "ইরান যে যুক্তরাজ্যকে লক্ষ্যবস্তু বানাচ্ছে বা তারা চাইলেই এমন হামলা চালাতে সক্ষম— আমাদের কাছে এমন কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য বা মূল্যায়ন নেই।"

দিয়েগো গার্সিয়ায় ইরানের হামলা: ইরান থেকে প্রায় ৩ হাজার ৮০০ কিলোমিটার দূরে ভারত মহাসাগরের চাগোস দ্বীপপুঞ্জে (দিয়েগো গার্সিয়া) অবস্থিত যৌথ সামরিক ঘাঁটিতে শুক্রবার রাতভর হামলা চালায় তেহরান। জানা গেছে, ওই ঘাঁটি অভিমুখে দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে ইরান। এর মধ্যে একটি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে মাঝপথেই সাগরে পড়ে যায় এবং অপরটিকে আকাশেই সফলভাবে প্রতিহত করা হয়।

তবে এসব ক্ষেপণাস্ত্র ব্রিটিশ ভূখণ্ডের ঠিক কতটা কাছাকাছি পৌঁছাতে পেরেছিল, সে বিষয়ে কোনো তথ্য প্রকাশ করতে অস্বীকৃতি জানান মন্ত্রী স্টিভ রিড। তিনি একে স্পর্শকাতর 'অপারেশনাল বিবরণ' উল্লেখ করে বিস্তারিত মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকেন।

দিল্লিতে জয়শঙ্করের সঙ্গে বাংলাদেশের হাইকমিশনারের বৈঠক: অভিন্ন স্বার্থে একযোগে কাজের প্রত্যয়

দিল্লিতে জয়শঙ্করের সঙ্গে বাংলাদেশের হাইকমিশনারের বৈঠক: অভিন্ন স্বার্থে একযোগে কাজের প্রত্যয়

 "নয়াদিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বাংলাদেশের হাইকমিশনার এম রিয়াজ হামিদুল্লাহ। বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ও অভিন্ন স্বার্থ নিয়ে আলোচনা হয়।"

আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রকাশ : শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ২১:৫০

তথ্যসূত্র ও ছবি: বিবিসি

নয়াদিল্লি: বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেছেন নয়াদিল্লিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার এম রিয়াজ হামিদুল্লাহ। শুক্রবার (২০ মার্চ) দুপুরে ভারতের রাজধানীতে এই সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

পারস্পরিক সহযোগিতার আশ্বাস: বৈঠকের বিষয়টি নিশ্চিত করে বাংলাদেশের হাইকমিশনার রিয়াজ হামিদুল্লাহ তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের এক পোস্টে জানান, ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে তার এই সাক্ষাৎ বেশ ফলপ্রসূ হয়েছে। তিনি এস জয়শঙ্করকে এই বলে আশ্বস্ত করেছেন যে, দুই প্রতিবেশী রাষ্ট্রের অভিন্ন স্বার্থ রক্ষা এবং পারস্পরিক সুবিধাগুলো অর্জনের লক্ষ্যে ভারতের সঙ্গে একযোগে কাজ করতে বাংলাদেশ সম্পূর্ণ প্রস্তুত।

এক্স হ্যান্ডেলে জয়শঙ্করের বার্তা: অন্যদিকে, এই বৈঠকের পর ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করও নিজের ভেরিফায়েড ‘এক্স’ (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্টে একটি পোস্ট করে আলোচনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, দুই দেশের এই শীর্ষ কূটনৈতিক বৈঠকে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বাংলাদেশ-মিয়ানমার বিভাগের যুগ্ম সচিব বি শ্যামও উপস্থিত ছিলেন।

আমাদের ঘাড়ে কারও আধিপত্য মানব না’, চীনা রাষ্ট্রদূতের উপস্থিতিতে কড়া বার্তা জামায়াত আমিরের

আমাদের ঘাড়ে কারও আধিপত্য মানব না’, চীনা রাষ্ট্রদূতের উপস্থিতিতে কড়া বার্তা জামায়াত আমিরের

"রাজধানীর মিরপুরে চীনা রাষ্ট্রদূতের উপস্থিতিতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, দেশের ওপর কারও আধিপত্য বা খবরদারি মেনে নেওয়া হবে না।"

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ২২:৫৫

ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা: দেশের ওপর কোনো বিদেশি শক্তির আধিপত্য বা খবরদারি মেনে নেওয়া হবে না বলে স্পষ্ট ও কঠোর বার্তা দিয়েছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) রাজধানীর মিরপুরে আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে দুস্থ ও অসহায় মানুষের মাঝে চীনের সহায়তায় ‘ফুড প্যাক’ বা খাদ্যসামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উপস্থিত ছিলেন।

আধিপত্যবাদীদের প্রতি কঠোর হুঁশিয়ারি: ডা. শফিকুর রহমান তার বক্তব্যে বলেন, "আমরা কোনোভাবেই আমাদের ঘাড়ে কারও আধিপত্য মেনে নেব না। আমাদের দেশের সচেতন ও আত্মমর্যাদাশীল যুবসমাজ এটি কখনোই সহ্য করবে না। তারা মাথা উঁচু করে বাঁচতে চায় এবং সারা বিশ্বের বুকে বুক ফুলিয়ে নিজেদের গর্বিত বাংলাদেশি হিসেবে পরিচয় দিতে চায়।"

চীনের প্রশংসা ও বিগত সরকারের সমালোচনা: চীনের সাথে বাংলাদেশের দীর্ঘ ৫০ বছরের বন্ধুত্বপূর্ণ ও কূটনৈতিক সম্পর্কের কথা তুলে ধরে জামায়াত আমির বলেন, ১৯৭৫ সালে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতির পর থেকে চীন বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ উন্নয়ন অংশীদার হিসেবে পাশে রয়েছে। অন্যান্য দেশের দিকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, "অনেকে আমাদের দেশকে কিছুই না দিয়ে উল্টো সবকিছু কেড়ে নেয় এবং পান থেকে চুন খসলেই যখন-তখন অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করে। কিন্তু চীন কখনোই তা করে না, তারা সবসময় প্রকৃত বন্ধুর পরিচয় দিয়ে এসেছে।"

বিগত সরকারের সমালোচনা করে বিরোধীদলীয় এই নেতা বলেন, "অনুষ্ঠানের এই হলরুমটি সম্পূর্ণ চীনের অর্থায়নে বাংলাদেশের জন্য একটি উপহার ছিল। এখানে আমাদের কোনো টাকা নেই। কিন্তু বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার চরম অকৃতজ্ঞতার পরিচয় দিয়ে এই বন্ধুত্বের নিদর্শনটি হাইজ্যাক করেছিল। তারা একটি দেশের ভালোবাসার উপহারের নাম-নিশানা মুছে দিয়ে সেখানে তাদের বাপের নাম লিখে দিয়েছিল।"

চীনা রাষ্ট্রদূতের বক্তব্য ও প্রত্যাশা: অনুষ্ঠানে চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সবাইকে শুভেচ্ছা জানান। তিনি বলেন, "ঈদ হলো ভালোবাসা, আনন্দ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশের উৎসব। আপনাদের ঈদের প্রস্তুতিতে কিছুটা সহায়তা করতেই আমরা এই উপহারগুলো নিয়ে এসেছি।"

এ সময় তিনি বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে ডা. শফিকুর রহমানের ভূয়সী প্রশংসা করেন। চীনা রাষ্ট্রদূত প্রত্যাশা ব্যক্ত করে বলেন, ভবিষ্যতে বাংলাদেশের চলমান উন্নয়ন প্রকল্প এবং দুদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে জামায়াতে ইসলামী ও ডা. শফিকুর রহমান পূর্ণ সমর্থন জোগাবেন। বাংলাদেশের মুসলিম ভাই-বোনেরা একটি নতুন, সমৃদ্ধ ও উন্নত বাংলাদেশ বিনির্মাণে অংশীদার হবে বলেও তিনি দৃঢ় বিশ্বাস ব্যক্ত করেন।

যুক্তরাষ্ট্রের নেব্রাস্কায় স্মরণকালের ভয়াবহ দাবানল: পুড়ল ৬ লাখ একর জমি, জারি জরুরি অবস্থা

যুক্তরাষ্ট্রের নেব্রাস্কায় স্মরণকালের ভয়াবহ দাবানল: পুড়ল ৬ লাখ একর জমি, জারি জরুরি অবস্থা

 "যুক্তরাষ্ট্রের নেব্রাস্কায় ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ দাবানলে প্রায় ৬ লাখ একর জমি পুড়ে গেছে এবং একজনের মৃত্যু হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় জরুরি অবস্থা জারি করেছেন গভর্নর।"

আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রকাশ : সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ২২:৫০

তথ্যসূত্র ও ছবি: এবিসি নিউজ / নেব্রাস্কা ফরেস্ট সার্ভিস / সংগৃহীত

নেব্রাস্কা: যুক্তরাষ্ট্রের নেব্রাস্কা অঙ্গরাজ্যের ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ দাবানলে এখন পর্যন্ত প্রায় ৬ লাখ একর জমি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। আগুন এখনো পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণের বাইরে (০% নিয়ন্ত্রণ) রয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। এই মর্মান্তিক দুর্যোগে এখন পর্যন্ত একজনের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে। পরিস্থিতি চরম আকার ধারণ করায় অঙ্গরাজ্যটিতে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন গভর্নর জিম পিলেন।

আগুন নিয়ন্ত্রণে ন্যাশনাল গার্ড মোতায়েন: আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং স্থানীয় ফায়ার সার্ভিস কর্মীদের সহায়তা করতে নেব্রাস্কা ন্যাশনাল গার্ডের দুটি 'ইউএইচ-৬০ ব্ল্যাকহক' (UH-60 Blackhawk) হেলিকপ্টার ও সেনা মোতায়েন করা হয়েছে।

তিনটি বড় দাবানলের ধ্বংসযজ্ঞ: রাজ্য প্রশাসন জানিয়েছে, প্রধান তিনটি দাবানল মধ্য ও পশ্চিম নেব্রাস্কায় এই ধ্বংসযজ্ঞ চালাচ্ছে।

  • মরিল ফায়ার: এর মধ্যে সবচেয়ে বড়টি হলো 'মরিল ফায়ার', যা মরিল, আর্থার এবং কিথ কাউন্টি জুড়ে ৪ লাখ ৬০ হাজার একরের বেশি জমি গ্রাস করেছে। এটি নেব্রাস্কার ইতিহাসের সবচেয়ে বড় দাবানল। গত বৃহস্পতিবার আর্থার কাউন্টিতে এই আগুনেই একজনের মৃত্যু হয়।

  • কটনউড ফায়ার: গোথেনবার্গ শহরের কাছে ডসন কাউন্টিতে এই আগুনে প্রায় ১ লাখ একর জমি পুড়ে গেছে।

  • রোড ২০৩ ফায়ার: হ্যালসি গ্রামের কাছে ব্লেইন ও থমাস কাউন্টিতে এই দাবানল ৪০ হাজার একরেরও বেশি এলাকা ধ্বংস করেছে।

তীব্র বাতাস ও আবহাওয়াগত চ্যালেঞ্জ: রবিবার মধ্য-পশ্চিমের অন্যান্য অংশে তুষারপাত হলেও, দাবানল কবলিত এলাকাগুলোতে চরম শুষ্ক আবহাওয়া ও তীব্র ঝোড়ো বাতাস বইছে। শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে গভর্নর জিম পিলেন বলেন, "বাতাসের গতিবেগ অস্বাভাবিক হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যা দমকলকর্মীদের এই লড়াইকে আরও বহুগুণ কঠিন করে তুলবে।"

অতিরিক্ত সহায়তা তলব: পরিস্থিতি মোকাবিলায় গভর্নর পিলেন রাজ্যের বৃহত্তম দুই শহর ওমাহা ও লিংকনের মেয়রদের কাছে জরুরিভিত্তিতে অতিরিক্ত জনবল ও অগ্নিনির্বাপক সরঞ্জাম চেয়েছেন। পাশাপাশি আইওয়াসহ প্রতিবেশী অঙ্গরাজ্যগুলোর কাছেও সাহায্য চাওয়া হচ্ছে। আহ্বানে সাড়া দিয়ে ওমাহা ও লিংকনের ফায়ার সার্ভিস বিভাগ ইতোমধ্যে উদ্ধারকর্মী ও সরঞ্জাম পাঠাতে শুরু করেছে।

ওমাহার মেয়র জন ইউয়িং জুনিয়র বলেন, "ক্ষতিগ্রস্ত কিথ কাউন্টির বাসিন্দাদের প্রতি আমাদের গভীর সমবেদনা রয়েছে। ওমাহা তার প্রতিবেশীদের সাহায্যে সবসময় প্রস্তুত।" শনিবার হেলিকপ্টারে করে দাবানল কবলিত এলাকাগুলো পরিদর্শনের পর গভর্নর পিলেন রাজ্যের সকল মানুষকে দুর্গতদের জন্য প্রার্থনা করার আহ্বান জানান।

হরমুজ প্রণালিতে ট্রাম্পের ডাকে সাড়া দিল না জার্মানি, ন্যাটো জড়াবে না সংঘাতে

হরমুজ প্রণালিতে ট্রাম্পের ডাকে সাড়া দিল না জার্মানি, ন্যাটো জড়াবে না সংঘাতে

 "পারস্য উপসাগরের হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপত্তা নিশ্চিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সামরিক সহায়তার আহ্বান সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে জার্মানি।"

আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রকাশ : সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ২২:৫০

তথ্যসূত্র ও ছবি: সিএনএন / সংগৃহীত

বার্লিন: মধ্যপ্রাচ্যের অত্যন্ত কৌশলগত জলপথ পারস্য উপসাগরের হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজের নিরবচ্ছিন্ন চলাচল ও নিরাপত্তা রক্ষায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মিত্রদের কাছে যে সামরিক সাহায্য চেয়েছিলেন, তা সাফ প্রত্যাখ্যান করেছে বার্লিন। জার্মান সরকার অত্যন্ত স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছে, চলমান এই সামরিক সংঘাতের সাথে সামরিক জোট ন্যাটোর (NATO) বিন্দুমাত্র কোনো সম্পর্ক নেই।

ন্যাটোর যুদ্ধ নয় এটি: সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মার্জের একজন মুখপাত্র কঠোর ভাষায় যুক্তরাষ্ট্রের এই আহ্বানের জবাব দেন। তিনি বলেন, "এটি কোনোভাবেই ন্যাটোর যুদ্ধ নয়। ফলে এই সংঘাতে জোটভুক্ত মিত্র দেশগুলোর অংশগ্রহণ করার কোনো যৌক্তিক কারণ বা ভিত্তি নেই।"

ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি ও বার্লিনের অনড় অবস্থান: সম্প্রতি ন্যাটো জোটকে লক্ষ্য করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রচ্ছন্ন হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিলেন, এই জোটে যুক্তরাষ্ট্রকে কাঙ্ক্ষিত সহযোগিতা না করা হলে এর ভবিষ্যৎ অত্যন্ত ‘খারাপ’ হতে পারে। ট্রাম্পের এমন কড়া বার্তার জবাবেই মূলত জার্মানি নিজেদের এই অনড় অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করল।

জার্মান সরকার আরও জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে কোনো ধরনের সামরিক তৎপরতা বা নজরদারি মিশনে অংশ নেওয়ার পরিকল্পনা তাদের অতীতেও ছিল না এবং বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতেও এমন কোনো সম্ভাবনা তারা দেখছে না। এদিন সকালে ব্রাসেলসে পৌঁছানোর পর জার্মানির পররাষ্ট্রমন্ত্রী জোহান ওয়াডেফুলও সাংবাদিকদের একই কথা জানান। তিনি বলেন, হরমুজ প্রণালির বর্তমান পরিস্থিতিতে ন্যাটো সদস্যদের কোনো ভূমিকা পালনের সুযোগ তিনি দেখছেন না।

যুক্তরাষ্ট্রের নীতি নিয়ে চ্যান্সেলরের সমালোচনা: ইরানের সাথে চলমান এই সংঘাত সহসাই থামার কোনো লক্ষণ না থাকায় জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মার্জ তার অবস্থান আরও কঠোর করেছেন। গত সপ্তাহে রাশিয়ার ওপর থেকে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা শিথিলের সিদ্ধান্তে ওয়াশিংটনের তীব্র সমালোচনা করেন তিনি। মার্জ বলেন, এই যুদ্ধ থামাতে যুক্তরাষ্ট্রের আসল পরিকল্পনা বা রূপরেখা আসলে কী, তা এখনো ইউরোপের কাছে সম্পূর্ণ অস্পষ্ট।

চ্যান্সেলরের মুখপাত্র এ প্রসঙ্গে মনে করিয়ে দেন যে, এই যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে খোদ যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েল বেশ দম্ভভরেই জানিয়েছিল যে, এই সামরিক অভিযানে ইউরোপীয় দেশগুলোর কোনো সহায়তা তাদের প্রয়োজন নেই।

ডাচ প্রধানমন্ত্রীর সাথে বৈঠক: সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ইউরোপের পরবর্তী করণীয় এবং ট্রাম্পের এই অযাচিত চাপ মোকাবিলার কৌশল নির্ধারণ করতে সোমবার বার্লিনে ডাচ (নেদারল্যান্ডস) প্রধানমন্ত্রী রব জেটেনের সাথে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসছেন জার্মান চ্যান্সেলর।

হাদি হত্যার আসামিরা কীভাবে ভারতে ঢুকল? বিজেপি-তৃণমূলের পাল্টাপাল্টি তোপ

হাদি হত্যার আসামিরা কীভাবে ভারতে ঢুকল? বিজেপি-তৃণমূলের পাল্টাপাল্টি তোপ

 "ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদি হত্যার আসামিরা ভারতে গ্রেফতার হওয়ার পর অনুপ্রবেশের দায় নিয়ে বিজেপি ও তৃণমূল কংগ্রেসের মধ্যে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ শুরু হয়েছে।"

অনলাইন ডেস্ক 

প্রকাশ : সোমবার, ০৯ মার্চ ২০২৬, ২১:২০

ছবি: সংগৃহীত

কলকাতা: বাংলাদেশের ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের প্রধান সন্দেহভাজন ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার সহযোগী আলমগীর হোসেন গত রোববার ভারতের পশ্চিমবঙ্গে গ্রেফতার হয়েছেন। আর এই চাঞ্চল্যকর গ্রেফতারের পর থেকেই অভিযুক্তদের ভারতে অনুপ্রবেশের দায় নিয়ে দেশটির কেন্দ্রীয় ক্ষমতাসীন দল বিজেপি এবং পশ্চিমবঙ্গের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের মধ্যে তীব্র রাজনৈতিক বাকযুদ্ধ শুরু হয়েছে।

তৃণমূলের অভিযোগ: পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতাসীন দল তৃণমূল কংগ্রেস এই ঘটনার পর সরাসরি ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের কঠোর সমালোচনা করেছে। দলটির মুখপাত্র অরূপ চক্রবর্তী প্রশ্ন তুলেছেন, কেন্দ্রীয় সরকারের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণাধীন সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের কড়া নজরদারি এড়িয়ে এই দুই খুনের আসামি কীভাবে ভারতের ভূখণ্ডে প্রবেশ করল?

অরূপ চক্রবর্তীর দাবি, এই দুই অভিযুক্ত মূলত মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে ভারতে ঢুকেছে, যেখানে বর্তমানে বিজেপির জোট সরকার ক্ষমতায় রয়েছে। এরপর তারা আসাম এবং ত্রিপুরা পার হয়ে পশ্চিমবঙ্গে আসে। এই দুই রাজ্যেও বিজেপির 'ডাবল ইঞ্জিন' সরকার চলছে। তিনি কটাক্ষ করে বলেন, "অমিত শাহ আমাদের সীমান্ত রক্ষায় পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছেন। দুই রাজ্যের পুলিশ এবং বিএসএফের চোখে ধুলো দিয়ে এই অপরাধীরা দেশে দিব্যি ঘুরে বেড়াচ্ছিল। শেষ পর্যন্ত মমতা ব্যানার্জির পুলিশই তাদের গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে।"

বিজেপির পাল্টা জবাব: তৃণমূলের এই অভিযোগের কড়া জবাব দিয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। দলটির রাজ্য মুখপাত্র দেবজিৎ সরকারের পাল্টা অভিযোগ, বর্তমান পশ্চিমবঙ্গ সরকার রাজ্যটিকে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের অপরাধীদের জন্য একটি 'নিরাপদ আশ্রয়ে' (সেফ হ্যাভেন) পরিণত করেছে।

তিনি বলেন, "শুধু হাদি হত্যার আসামিরাই নয়, বিভিন্ন সময়ে অপরাধ করে পালিয়ে আসা দুষ্কৃতীদের নিরাপদ ঠিকানা এখন পশ্চিমবঙ্গ।" দেবজিৎ সরকার আরও উল্লেখ করেন, এই রাজ্যের প্রায় ৪০০ কিলোমিটার সীমান্ত এখনো অরক্ষিত বা 'পোরাস' অবস্থায় রয়েছে। এছাড়া সুপ্রিম কোর্টের সুস্পষ্ট নির্দেশনার পর রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে বিএসএফকে যেভাবে জমি বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে, তা নিয়েও সীমান্তরক্ষী বাহিনী সন্তুষ্ট নয় বলে দাবি করেন বিজেপির এই নেতা।

জর্ডানে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের হামলা: ধ্বংস হলো ৩০ কোটি ডলারের থাড রাডার!

জর্ডানে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের হামলা: ধ্বংস হলো ৩০ কোটি ডলারের থাড রাডার!

 "উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ৩০ কোটি ডলারের একটি রাডার ধ্বংস করেছে ইরান। জর্ডানের মুওয়াফফাক সালতি বিমানঘাঁটিতে এই হামলা চালানো হয়।"

অনলাইন ডেস্ক 

প্রকাশ : শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ২২:৩০


তেহরান/ওয়াশিংটন: উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন সামরিক বাহিনীর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি রাডার ব্যবস্থা ধ্বংস করে দিয়েছে ইরান। ধ্বংস হওয়া এই রাডারটির আনুমানিক মূল্য প্রায় ৩০ কোটি ডলার। মার্কিন এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গ এই চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এনেছে।

যেভাবে ধ্বংস হলো রাডার: ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে বলা হয়, আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সিএনএন-এর বিশ্লেষণ করা স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা গেছে যে, জর্ডানের মুওয়াফফাক সালতি বিমানঘাঁটিতে এই হামলা চালানো হয়েছে। সেখানে যুক্তরাষ্ট্রের শক্তিশালী থাড (THAAD) ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় ব্যবহৃত 'এএন/টিপিওয়াই-২' রাডার এবং ব্যাটারিসহ অন্যান্য সহায়ক সরঞ্জাম সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে। যুদ্ধের একদম শুরুর দিকেই এই সফল হামলা চালায় ইরান। পরবর্তীতে যুক্তরাষ্ট্রের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাও আনুষ্ঠানিকভাবে এই সরঞ্জাম ধ্বংস হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মার্কিন সক্ষমতায় বড় ধাক্কা: বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই অত্যাধুনিক রাডার ধ্বংসের ফলে ভবিষ্যতে ওই অঞ্চলে যেকোনো ধরনের ব্যালিস্টিক বা ক্রুজ মিসাইল হামলা প্রতিহত করার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের আঞ্চলিক প্রতিরক্ষা সক্ষমতা অনেকটাই দুর্বল হয়ে পড়তে পারে। ব্লুমবার্গ তাদের প্রতিবেদনে আরও জানায়, বর্তমানে দক্ষিণ কোরিয়া এবং গুয়ামসহ সারাবিশ্বে যুক্তরাষ্ট্রের মোট আটটি থাড (THAAD) ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন রয়েছে।

বিপুল আর্থিক ক্ষতি: প্রতিরক্ষা বিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের (সিএসআইএস) তথ্য অনুযায়ী, এই থাড ব্যবস্থার একেকটি ব্যাটারির মূল্য প্রায় এক বিলিয়ন বা ১০০ কোটি ডলার। এর মধ্যে শুধুমাত্র এর শক্তিশালী রাডারটির পেছনেই ব্যয় হয় প্রায় ৩০ কোটি ডলার।

আরামকোতে হামলা ইরানের নয়, ইসরায়েলের ‘ফলস ফ্ল্যাগ’ অপারেশন! পরবর্তী লক্ষ্য আমিরাত?

আরামকোতে হামলা ইরানের নয়, ইসরায়েলের ‘ফলস ফ্ল্যাগ’ অপারেশন! পরবর্তী লক্ষ্য আমিরাত?

 "সৌদি আরবের আরামকো তেল স্থাপনায় হামলার পেছনে ইরানের হাত নেই; এটি ইসরায়েলের একটি ‘ফলস ফ্ল্যাগ’ অপারেশন। পরবর্তী হামলার লক্ষ্য হতে পারে আমিরাতের ফুজাইরাহ বন্দর।"

অনলাইন ডেস্ক 

প্রকাশ : মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৬:০০

আরামকোতে হামলা ইরানের নয়, ইসরায়েলের ‘ফলস ফ্ল্যাগ’ অপারেশন! পরবর্তী লক্ষ্য আমিরাত?
ছবি: সংগৃহীত

তেহরান: সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি আরামকোর স্থাপনায় যে সাম্প্রতিক হামলার ঘটনা ঘটেছে, তার পেছনে ইরানের কোনো হাত নেই। বরং এটি ছিল ইসরায়েলের একটি সুপরিকল্পিত 'ফলস ফ্ল্যাগ' বা ভুয়া পরিচয়ে চালানো গোপন সামরিক অপারেশন। ইরানের একটি শীর্ষ সামরিক সূত্রের বরাত দিয়ে দেশটির স্বনামধন্য গণমাধ্যম তাসনিম নিউজ এজেন্সি এই বিস্ফোরক দাবি করেছে।

হামলার নেপথ্য উদ্দেশ্য: তাসনিম নিউজের ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের আঞ্চলিক দেশগুলোকে বিভ্রান্ত করার জন্যই তেল আবিব এই চক্রান্ত করেছে। মূলত, ইরানের বিভিন্ন বেসামরিক স্থাপনায় ইসরায়েল যে অন্যায় ও অযৌক্তিক হামলা চালিয়েছে, তা থেকে বিশ্ববাসীর নজর ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতেই ছদ্মবেশে আরামকোকে নিশানা করা হয়েছে।

ইরানের প্রকাশ্য অবস্থান: সাক্ষাৎকারে ওই ইরানি সামরিক কর্মকর্তা স্পষ্ট জানান, এই অঞ্চলে থাকা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের যেকোনো স্বার্থ বা স্থাপনায় আঘাত হানার বিষয়ে ইরান সবসময় প্রকাশ্য ঘোষণা দিয়েই থাকে। ইতোমধ্যে তারা এমন অনেক লক্ষ্যবস্তুতে সফল হামলাও চালিয়েছে। কিন্তু কোনোভাবেই সৌদি আরবের আরামকো তেল স্থাপনা তাদের লক্ষ্যবস্তুর তালিকায় ছিল না।

আমিরাতে পরবর্তী হামলার শঙ্কা: সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর বিষয় হলো, ওই সামরিক সূত্রটি সতর্ক করে জানিয়েছে যে— তাদের হাতে আসা সর্বশেষ গোপন গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, ইসরায়েল খুব শিগগিরই সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহ (Fujairah) বন্দরেও ঠিক একই কায়দায় আরেকটি 'ফলস ফ্ল্যাগ' বা ছদ্মবেশী হামলা চালানোর গভীর ষড়যন্ত্র করছে।

খামেনি হত্যা ও ইরানে আগ্রাসনের প্রতিবাদে ঢাকায় জামায়াতের বিশাল শোডাউন

খামেনি হত্যা ও ইরানে আগ্রাসনের প্রতিবাদে ঢাকায় জামায়াতের বিশাল শোডাউন

 নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ : রোববার, ০১ মার্চ ২০২৬, ১৯:৪৫



ঢাকা: মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনীর সমন্বিত হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি এবং ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাদের হত্যার প্রতিবাদে রাজধানী ঢাকায় বিশাল গণজমায়েত ও মিছিল করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। রোববারের (১ মার্চ) এই রাজপথের কর্মসূচি থেকে আন্তর্জাতিক নিয়মনীতি তোয়াক্কা না করে চালানো বর্বরোচিত এই হামলার কড়া জবাব চাওয়া হয়।

দলের ঢাকা মহানগরী উত্তর ও দক্ষিণ শাখার যৌথ আয়োজনে এদিন বিকেলে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের উত্তর ফটকের সামনে এই প্রতিবাদী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির ও সংসদ সদস্য মো. নূরুল ইসলাম বুলবুল। কর্মসূচিতে দলটির হাজারো নেতাকর্মী, ছাত্র সমাজ ও ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা অংশ নেন।

সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসনের সমালোচনা: অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে দলের নায়েবে আমির ও সংসদ সদস্য এ টি এম আজহারুল ইসলাম বলেন, "ইসলামের জাগরণ সহ্য করতে না পেরেই মূলত ইসরায়েলকে ঘুঁটি বানিয়ে স্বাধীন ভূখণ্ড ইরানে ধ্বংসযজ্ঞ চালানো হচ্ছে।" মানবাধিকারের ফেরিওয়ালা দেশগুলোর এমন দ্বিমুখী নীতির কঠোর সমালোচনা করে তিনি বিশ্বশান্তি রক্ষায় জাতিসংঘ এবং ওআইসি-কে প্রভাবশালী রাষ্ট্রগুলোর কাছে মাথানত না করে কার্যকরী ভূমিকা রাখার তাগিদ দেন। এছাড়া, নির্বাচন পরবর্তী সময়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে দলের কর্মীদের ওপর চলমান হামলার বিচারও দাবি করেন তিনি।

সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান এমপি তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন, এই আগ্রাসনের পেছনে ইসরায়েলের পাশাপাশি আরও অনেক বড় পরাশক্তির ইন্ধন রয়েছে, যা গোটা বিশ্বকে চরম অস্থিরতার দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

নিন্দা প্রস্তাব ও ঐক্যের ডাক: জাতীয় সংসদের আসন্ন প্রথম অধিবেশনেই খামেনি হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয়ভাবে আনুষ্ঠানিক নিন্দা প্রস্তাব উত্থাপনের জোর দাবি জানান কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ। অন্যদিকে, পরাশক্তির এমন অন্যায্য হামলার বিরুদ্ধে বিশ্বের সব মুসলিম রাষ্ট্রকে এক ছাতার নিচে আসার আহ্বান জানান ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন।

চুয়াডাঙ্গায় কর্মী হত্যার বিচার দাবি: ইরান ইস্যুর পাশাপাশি এই সমাবেশ থেকে চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে জামায়াত কর্মী হাফিজুর রহমান হত্যার দ্রুত বিচার চাওয়া হয়। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইফতারের পর ঘটা এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের জন্য বিএনপির কতিপয় সন্ত্রাসীদের দায়ী করেন বক্তারা। দ্রুততম সময়ের মধ্যে দোষীদের আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা না হলে সাধারণ জনগণকে সাথে নিয়ে দেশব্যাপী কঠোর গণআন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়, যার সম্পূর্ণ দায়ভার সরকারকে নিতে হবে বলে জানান তারা।

সমাবেশটি যৌথভাবে সঞ্চালনা করেন সংসদ সদস্য ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ ও ড. রেজাউল করিম। আলোচনা শেষে বায়তুল মোকাররমের উত্তর ফটক থেকে একটি বিশাল প্রতিবাদী মিছিল শুরু হয়ে বিজয়নগর ও কাকরাইল মোড় প্রদক্ষিণ করে শান্তিনগরে গিয়ে শেষ হয়।

খামেনির প্রাণহানিতে শোকাহত জামায়াত আমির: মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত এড়ানোর আহ্বান

খামেনির প্রাণহানিতে শোকাহত জামায়াত আমির: মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত এড়ানোর আহ্বান

 অনলাইন ডেস্ক 

প্রকাশ : রোববার, ০১ মার্চ ২০২৬, ১৭:৪৩


মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনীর সমন্বিত হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির নিহত হওয়ার ঘটনায় ব্যথিত হয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির। জাতীয় সংসদের বর্তমান বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এই ঘটনায় ইরানি নাগরিকদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।

পহেলা মার্চ (রোববার) সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক বার্তায় তিনি এই শোক প্রকাশ করেন।

শোকবার্তার মূল বিষয়বস্তু: ডা. শফিকুর রহমান তাঁর পোস্টে 'ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন' পাঠ করে জানান, আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শাহাদাতের খবরে তিনি চরমভাবে মর্মাহত। এই শোকাবহ মুহূর্তে মহান রবের কাছে তাঁর প্রার্থনা, তিনি যেন শোকাহত ইরানি জাতিকে এই বিশাল ক্ষতি সামলে ওঠার মতো ধৈর্য ও মানসিক শক্তি দান করেন।

অস্থিরতা নিয়ে উৎকণ্ঠা ও সতর্কতা: মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকট নিয়ে চরম উৎকণ্ঠা প্রকাশ করেছেন বিরোধীদলীয় এই নেতা। তাঁর মতে, বর্তমান পরিস্থিতি গোটা অঞ্চলের নিরাপত্তাকে ভয়াবহ হুমকির মুখে ঠেলে দিয়েছে। পবিত্র রমজান মাসের ভেতরে এ ধরনের সামরিক আগ্রাসনের তীব্র সমালোচনা করে তিনি জানান, এমন ধ্বংসাত্মক পদক্ষেপ বিশ্ববাসীর মনে চরম ক্ষোভের জন্ম দেবে। সামরিক উত্তেজনা যদি এখনই না থামে, তবে এর চরম মূল্য চোকাতে হতে পারে পুরো মধ্যপ্রাচ্যকে।

শান্তি প্রতিষ্ঠায় আহ্বান: সংকট নিরসনে তিনি কয়েকটি সুনির্দিষ্ট আহ্বান জানিয়েছেন:

  • যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল এবং ইরান—সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকেই যুদ্ধ পরিস্থিতি থেকে সরে এসে সর্বোচ্চ শান্ত থাকার অনুরোধ।

  • আন্তর্জাতিক নিয়মনীতি মেনে চলা, রাষ্ট্রীয় অখণ্ডতা রক্ষা এবং সাধারণ নাগরিকদের পূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ।

  • সংঘাত থামাতে এবং বিশ্বশান্তি রক্ষায় জাতিসংঘসহ বৈশ্বিক নেতাদের দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ।

  • অস্ত্রের বদলে কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে এই চলমান সংকটের একটি দীর্ঘস্থায়ী সমাধান খোঁজার তাগিদ।


ইরানে স্কুলে ইসরায়েলি বিমান হামলা: শিশুসহ নিহত ৮৫

ইরানে স্কুলে ইসরায়েলি বিমান হামলা: শিশুসহ নিহত ৮৫

 অনলাইন ডেস্ক 

প্রকাশ : রবিবার, ০১ মার্চ ২০২৬, ১১:০১

ছবি: সংগৃহীত

তেহরান: দক্ষিণ ইরানের মিনাব শহরে একটি প্রাথমিক বালিকা বিদ্যালয়ে ইসরায়েলি বিমান হামলায় শিশুসহ অন্তত ৮৫ জন নিহত হয়েছেন। শনিবারের (২৮ ফেব্রুয়ারি) এই বর্বরোচিত হামলায় পুরো অঞ্চলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে, যা আন্তর্জাতিক আইনের চরম লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

মিনাবে রক্তক্ষয়ী চিত্র: ইরানের আধা-সরকারি তাসনিম নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, হরমুজগান প্রদেশের মিনাব শহরের ওই বালিকা বিদ্যালয়ে হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৮৫ জনে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া হামলায় আরও ৬৩ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইরনা (IRNA) জানিয়েছে, হামলার পর থেকে দুর্ঘটনাস্থলে উদ্ধার তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

তেহরানেও হামলা: মিনাবের পাশাপাশি রাজধানী তেহরানের পূর্ব দিকে অবস্থিত আরেকটি স্কুলেও ইসরায়েলি বিমান হামলা চালানো হয়েছে। মেহর নিউজ এজেন্সির তথ্য অনুযায়ী, ওই হামলায় অন্তত দুইজন শিক্ষার্থী প্রাণ হারিয়েছে। একদিনে একাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এমন হামলায় জনমনে তীব্র ক্ষোভ ও আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে।

ইরানের হুঁশিয়ারি: ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি এই ন্যাক্কারজনক হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া ‘এক্স’-এ লিখেছেন, “নির্দোষ শিশুরা এই বর্বরোচিত অপরাধের শিকার হয়েছে”। তিনি দৃঢ়ভাবে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ইরানি জনগণের ওপর চালানো এই অপরাধের দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই ঘটনাকে ‘স্পষ্ট অপরাধ’ হিসেবে উল্লেখ করে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদকে জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

দাবির অসারতা: ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র দাবি করে আসছিল যে তারা কেবল সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করছে। কিন্তু স্কুল ও বেসামরিক অবকাঠামোতে এই ভয়াবহ হামলার মাধ্যমে তাদের সেই দাবির অসারতা প্রমাণ হয়েছে বলে আল জাজিরার প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। উল্লেখ্য যে, গত বছরের জুন মাস থেকে শুরু হওয়া ধারাবাহিক আগ্রাসনের অংশ হিসেবেই এই হামলাকে দেখছেন ভূ-রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

এখন পর্যন্ত এই হামলার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েলের কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি পাওয়া যায়নি।

মার্কিন ঘাঁটিতে আবারও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘোষণা ইরানের

মার্কিন ঘাঁটিতে আবারও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘোষণা ইরানের

 অনলাইন ডেস্ক 

প্রকাশ : রবিবার, ০১ মার্চ ২০২৬, ১১:২০

ছবি: সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে নতুন করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘোষণা দিয়েছে ইরানের ইসলামিক রেভ্যুলেশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের বরাত দিয়ে ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি এই চাঞ্চল্যকর তথ্য জানিয়েছে।

উত্তেজনা ও পাল্টা আক্রমণ: ইরানের অভ্যন্তরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার পর তেহরান এই পাল্টা আক্রমণের ঘোষণা দিল। এর আগে শনিবার সকাল থেকেই মধ্য ইসরাইলের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানার খবর পাওয়া যায়।

আকাশসীমা বন্ধ ও ফ্লাইট বিপর্যয়: ইরানের এই নতুন হামলার ঘোষণার পর মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে চরম যুদ্ধ আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতির কারণে শনিবার এই অঞ্চলের বিভিন্ন দেশ তাদের আকাশসীমা আংশিক বা সম্পূর্ণ বন্ধ করে দিয়েছে। এর ফলে হাজার হাজার আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল ও বিলম্বিত হয়েছে, যা বিশ্বজুড়ে বিমান চলাচলে বড় ধরনের সংকট সৃষ্টি করেছে।

মধ্য ইসরাইলে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা: তেল আবিব ও হাইফায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

মধ্য ইসরাইলে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা: তেল আবিব ও হাইফায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

 অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ : শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২২:৫০


ছবি: সংগৃহীত

ইসরাইলের হামলার জবাবে পাল্টা আক্রমণ শুরু করেছে ইরান। শনিবার সকাল থেকে মধ্য ইসরাইলের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তু অভিমুখে নতুন প্রযুক্তির ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে এই হামলা চালানো হচ্ছে।

ক্ষয়ক্ষতির বিবরণ: হামলায় উপকূলীয় তেল আবিব ও হাইফা এলাকা দুটি সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসব এলাকায় অবিরাম সাইরেন বাজানো হচ্ছে এবং সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। জরুরি সেবা সংস্থার সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও এখন পর্যন্ত নির্দিষ্ট কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

আকাশসীমা বন্ধ ও ফ্লাইট বিপর্যয়: ইরান, ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান এই পাল্টাপাল্টি হামলার ফলে মধ্যপ্রাচ্যে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে শনিবার মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ তাদের আকাশসীমা আংশিক বা সম্পূর্ণ বন্ধ ঘোষণা করেছে। এর ফলে হাজার হাজার আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল ও বিলম্বিত হয়েছে, যা বিশ্বজুড়ে বিমান চলাচলে স্থবিরতা সৃষ্টি করেছে।

সূত্র: আলজাজিরা

চীনের সাথে উত্তেজনার মাঝেই তাইওয়ান সীমান্তে ক্ষেপণাস্ত্র বসাচ্ছে জাপান

চীনের সাথে উত্তেজনার মাঝেই তাইওয়ান সীমান্তে ক্ষেপণাস্ত্র বসাচ্ছে জাপান

 অনলাইন ডেস্ক 

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২৩:৪৫

"ছবি: সংগৃহীত"

টোকিও: তাইওয়ানের অতি সন্নিকটে অবস্থিত ইউনাগুনি দ্বীপে ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা মোতায়েনের ঘোষণা দিয়েছে জাপান। গত মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) জাপানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী শিনজিরো কোইজুমি জানান, ২০৩১ সালের মার্চের মধ্যে এই আধুনিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা স্থাপনের কাজ সম্পন্ন করা হবে।

কৌশলগত গুরুত্ব: ইউনাগুনি দ্বীপটি তাইওয়ান থেকে মাত্র ১১০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত, যা ভৌগোলিক ও সামরিক দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পূর্ব চীন সাগরে বেইজিংয়ের ক্রমবর্ধমান সামরিক তৎপরতা মোকাবিলায় জাপান এই দ্বীপে তার প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়ানোর দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা নিয়েছে।

চীনের প্রতিক্রিয়া ও অর্থনৈতিক চাপ: জাপানের এই পদক্ষেপকে নিজেদের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ বলে দাবি করেছে চীন। পাল্টাপাল্টি ব্যবস্থা হিসেবে বেইজিং ইতোমধ্যেই জাপানে ভ্রমণে নিরুৎসাহিত করা, খনিজ রপ্তানিতে বিধিনিষেধ এবং জাপানি প্রতিষ্ঠানের ওপর নানা অর্থনৈতিক নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে। এমনকি টোকিওর চিড়িয়াখানা থেকে প্রতীকী বার্তা হিসেবে ‘জায়ান্ট পান্ডা’ ফেরত নেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।

বিশেষজ্ঞদের মত: বিশ্লেষকরা মনে করছেন, টোকিও এই পদক্ষেপের মাধ্যমে বেইজিংকে একটি স্পষ্ট কৌশলগত বার্তা দিতে চাইছে। তবে চীন জাপানের অন্যতম প্রধান বাণিজ্য অংশীদার হওয়ায় এই কূটনৈতিক টানাপোড়েনের নেতিবাচক প্রভাব দুই দেশের শিল্প ও অর্থনীতিতে পড়ার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে।