অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২৩:৪৫
![]() |
| "ছবি: সংগৃহীত" |
টোকিও: তাইওয়ানের অতি সন্নিকটে অবস্থিত ইউনাগুনি দ্বীপে ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা মোতায়েনের ঘোষণা দিয়েছে জাপান। গত মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) জাপানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী শিনজিরো কোইজুমি জানান, ২০৩১ সালের মার্চের মধ্যে এই আধুনিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা স্থাপনের কাজ সম্পন্ন করা হবে।
কৌশলগত গুরুত্ব: ইউনাগুনি দ্বীপটি তাইওয়ান থেকে মাত্র ১১০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত, যা ভৌগোলিক ও সামরিক দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পূর্ব চীন সাগরে বেইজিংয়ের ক্রমবর্ধমান সামরিক তৎপরতা মোকাবিলায় জাপান এই দ্বীপে তার প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়ানোর দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা নিয়েছে।
চীনের প্রতিক্রিয়া ও অর্থনৈতিক চাপ: জাপানের এই পদক্ষেপকে নিজেদের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ বলে দাবি করেছে চীন। পাল্টাপাল্টি ব্যবস্থা হিসেবে বেইজিং ইতোমধ্যেই জাপানে ভ্রমণে নিরুৎসাহিত করা, খনিজ রপ্তানিতে বিধিনিষেধ এবং জাপানি প্রতিষ্ঠানের ওপর নানা অর্থনৈতিক নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে। এমনকি টোকিওর চিড়িয়াখানা থেকে প্রতীকী বার্তা হিসেবে ‘জায়ান্ট পান্ডা’ ফেরত নেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।
বিশেষজ্ঞদের মত: বিশ্লেষকরা মনে করছেন, টোকিও এই পদক্ষেপের মাধ্যমে বেইজিংকে একটি স্পষ্ট কৌশলগত বার্তা দিতে চাইছে। তবে চীন জাপানের অন্যতম প্রধান বাণিজ্য অংশীদার হওয়ায় এই কূটনৈতিক টানাপোড়েনের নেতিবাচক প্রভাব দুই দেশের শিল্প ও অর্থনীতিতে পড়ার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে।
