নির্বাচন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
নির্বাচন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
নির্বাচন কারচুপির অভিযোগ: সাবেক দুই উপদেষ্টা রিজওয়ানা ও খলিলুরকে জিজ্ঞাসাবাদের দাবিতে জামায়াতের বিক্ষোভ

নির্বাচন কারচুপির অভিযোগ: সাবেক দুই উপদেষ্টা রিজওয়ানা ও খলিলুরকে জিজ্ঞাসাবাদের দাবিতে জামায়াতের বিক্ষোভ

 "নির্বাচন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের অভিযোগে সাবেক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান ও ড. খলিলুর রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদের দাবিতে বায়তুল মোকাররমে জামায়াতের বিক্ষোভ।"

নিজস্ব প্রতিবেদক 

প্রকাশ : শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬, ২২:৫০

ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা: সদ্য বিদায়ী অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দুই সাবেক উপদেষ্টাকে দ্রুত জিজ্ঞাসাবাদের দাবিতে রাজধানী ঢাকায় বিশাল বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুক্রবার (৬ মার্চ) পবিত্র জুমার নামাজের পর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে এই বিক্ষোভ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

বিক্ষোভের মূল দাবি ও ব্যানার: বিক্ষোভ সমাবেশের ব্যানারে স্পষ্টভাবে লেখা ছিল, ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করে জনগণের রায় পাল্টে দেয়ার অভিযোগের তদন্তের জন্য সাবেক উপদেষ্টা সৈয়দা রেজওয়ানা হাসান ও ড. খলিলুর রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদের দাবি’। পরবর্তীতে দলটির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ এবং ইউটিউব চ্যানেলেও এই বিক্ষোভ ও ব্যানারের দৃশ্য শেয়ার করা হয়েছে।

বিবৃতিতে কারচুপির অভিযোগ: গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিবৃতিতে জামায়াতের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ভোট গণনা থেকে শুরু করে চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা পর্যন্ত প্রতিটি স্তরেই সুপরিকল্পিতভাবে ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’ বা জালিয়াতি করা হয়েছে।

দুই উপদেষ্টার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ: সাবেক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের সাম্প্রতিক একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে এই কারচুপির অভিযোগ তুলেছে জামায়াতে ইসলামী। পাশাপাশি ওই সাবেক উপদেষ্টাকে তার মন্তব্যের জন্য ভুল স্বীকার করারও জোর দাবি জানিয়েছে দলটি।

অন্যদিকে, বর্তমান বিএনপি সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে সদ্য নিয়োগ পাওয়া আরেক সাবেক উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমানের বিরুদ্ধে ‘লন্ডন মেকানিজম’ বা লন্ডন ষড়যন্ত্রের গুরুতর অভিযোগও তুলেছে জামায়াত।

সাবেক দুই উপদেষ্টা ‘নতুন মীরজাফর’: রিজওয়ানা ও খলিলুরকে জিজ্ঞাসাবাদের দাবি জামায়াতের

সাবেক দুই উপদেষ্টা ‘নতুন মীরজাফর’: রিজওয়ানা ও খলিলুরকে জিজ্ঞাসাবাদের দাবি জামায়াতের

 "সদ্য বিদায়ী অন্তর্বর্তী সরকারের দুই উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান ও খলিলুর রহমানকে 'নতুন মীরজাফর' আখ্যা দিয়ে নির্বাচন কারচুপির অভিযোগে জিজ্ঞাসাবাদের দাবি জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী।"

অনলাইন ডেস্ক 

প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ২০:৩৭

"সদ্য বিদায়ী অন্তর্বর্তী সরকারের দুই উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান ও খলিলুর রহমানকে 'নতুন মীরজাফর' আখ্যা দিয়ে নির্বাচন কারচুপির অভিযোগে জিজ্ঞাসাবাদের দাবি জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী।"
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা: সদ্য বিদায়ী অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দুই উপদেষ্টাকে ‘নতুন মীরজাফর’ আখ্যা দিয়ে তাদের বিরুদ্ধে নির্বাচন কারচুপির (ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং) গুরুতর অভিযোগ এনেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটির জোর দাবি, অবাধ নির্বাচনের আকাঙ্ক্ষা নস্যাৎ করার নেপথ্যে কারা জড়িত ছিল তা বের করতে সাবেক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান এবং বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানকে অবিলম্বে আইনের আওতায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন।

সংবাদ সম্মেলন ও আইনি লড়াইয়ের ঘোষণা: বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে দলটির নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের এসব কথা বলেন। সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্যাপক কারচুপির অভিযোগ তুলে তিনি জানান, জালিয়াতির সুনির্দিষ্ট প্রমাণসহ ইতোমধ্যে ৫৩টি আসনে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ দাখিল করেছে জামায়াত। এর প্রেক্ষিতে তাদের আইনি লড়াই অব্যাহত থাকবে।

রিজওয়ানা হাসান ‘কারচুপির রাজসাক্ষী’: সংবাদ সম্মেলনে ডা. তাহের সাবেক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানকে নির্বাচন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের 'রাজসাক্ষী' হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি জানান, নারীদের অধিকার নিশ্চিত করার অজুহাত দেখিয়ে বিরোধী দলকে মূলধারায় বা প্রধান শক্তি হিসেবে আসতে দেওয়া হয়নি— রিজওয়ানার এমন মন্তব্যের মাধ্যমেই তাদের কারচুপির বিষয়টি দিনের আলোর মতো স্পষ্ট হয়ে গেছে।

জামায়াতের এই শীর্ষ নেতা প্রশ্ন রাখেন, "সাবেক এই উপদেষ্টার কাছে জাতি জানতে চায়, নির্বাচন প্রভাবিত করার এই নীল নকশায় তার সঙ্গে আর কে কে যুক্ত ছিল? পুরো অন্তর্বর্তী সরকারই কি জড়িত ছিল, নাকি সরকারের ভেতরের কোনো প্রভাবশালী অংশ এই কাজ করেছে?"

খলিলুর রহমানের বিরুদ্ধে ‘লন্ডন ষড়যন্ত্রের’ অভিযোগ: বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং সাবেক উপদেষ্টা খলিলুর রহমানকে নিয়েও এ সময় তীব্র সমালোচনা করে জামায়াত। ডা. তাহের স্মরণ করিয়ে দেন যে, অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাদের পরবর্তীতে কোনো দলীয় সরকারের লাভজনক পদে বা মন্ত্রী না হওয়ার বিষয়ে একটি নীতিগত সিদ্ধান্ত ছিল। কিন্তু খলিলুর রহমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়ে সেই শপথের বরখেলাপ করেছেন।

তাকে ‘লন্ডন ষড়যন্ত্রের প্রধান হোতা’ আখ্যা দিয়ে জামায়াতের নায়েবে আমির অভিযোগ করেন, "বর্তমান ক্ষমতাসীনদের অন্যায্য সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার জন্য তিনি ভেতর থেকে কলকাঠি নেড়েছেন। আর সেই ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নের পুরস্কার হিসেবেই তিনি আজ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর চেয়ারে বসেছেন।"

পরিশেষে, জাতির একটি অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের স্বপ্নকে ভণ্ডুল করে দেওয়ার সুনির্দিষ্ট অভিযোগে এই দুই সাবেক উপদেষ্টাকে দ্রুত জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি করার জোর দাবি জানায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

গণভোটের ফলাফলে বড় পরিবর্তন: ইসির সংশোধিত গেজেট প্রকাশ, কমেছে ‘হ্যাঁ’ ও ‘না’ ভোট

গণভোটের ফলাফলে বড় পরিবর্তন: ইসির সংশোধিত গেজেট প্রকাশ, কমেছে ‘হ্যাঁ’ ও ‘না’ ভোট

 অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ : শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৫:৫০

 


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সাথে অনুষ্ঠিত সংবিধান সংস্কার বা ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ বিষয়ক গণভোটের ফলাফলে বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সংবিধান সংস্কারের এই গণরায়ে ‘হ্যাঁ’ ও ‘না’ উভয় ভোটই উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের এক সংশোধিত গেজেটের মাধ্যমে এই পরিবর্তনের তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।
​সংশোধিত ফলাফলের পরিসংখ্যান:
ইসির নতুন গেজেট অনুযায়ী, পূর্বের ঘোষিত ফলাফলের তুলনায় প্রধান দুই ক্যাটাগরিতেই ভোট হ্রাস পেয়েছে:
​‘হ্যাঁ’ ভোট: আগের চেয়ে ৯ লাখ ৭৪ হাজার ৬৮০টি কমে এখন দাঁড়িয়েছে ৪ কোটি ৭২ লাখ ২৫ হাজার ৯৮০টিতে।
​‘না’ ভোট: ১ লাখ ১১ হাজার ৪৯৫টি কমে দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ১৯ লাখ ৬০ হাজার ২৩১টিতে।
​বাতিল ভোট: বৈধ ভোট কমলেও বাতিল হওয়া ভোটের সংখ্যা ১২ হাজার ৫৫৯টি বেড়েছে, যা এখন ৭৪ লাখ ৩৫ হাজার ১৯৬টি।
​সার্বিক চিত্র:
সংশোধিত হিসাব অনুযায়ী, সর্বমোট প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা ১০ লাখ ৭৩ হাজার ৬১৬টি কমেছে। বর্তমানে মোট প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা ৭ কোটি ৬৬ লাখ ২১ হাজার ৪০৭টি এবং মোট বৈধ ভোটের সংখ্যা ৬ কোটি ৯১ লাখ ৮৬ হাজার ২১১টি।
​গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত এই গণভোটের প্রথম ফলাফল ১৩ ফেব্রুয়ারি গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়েছিল। দীর্ঘ তদন্ত বা পুনরায় যাচাইয়ের পর ইসি এখন এই সংশোধনী আনলো, যদিও এর সুনির্দিষ্ট কারণ কমিশন থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ব্যাখ্যা করা হয়নি।