"আগামী ১৬ মার্চ দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলা থেকে দেশব্যাপী নদী, খাল ও জলাধার খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রথম ধাপে দেশের ৫৪ জেলায় এই কাজ শুরু হবে।"
নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশ : শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২১:২০
![]() |
| ছবি: বাসস / কোলাজ |
ঢাকা: বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী আগামী পাঁচ বছরে সারা দেশে ২০ হাজার কিলোমিটার নদী, খাল ও জলাধার খনন এবং পুনঃখননের এক বিশাল মেগা কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে।
আগামী ১৬ মার্চ (সোমবার) দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলা থেকে এই যুগান্তকারী কর্মযজ্ঞের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা-৩ শাখা থেকে পাঠানো এক চিঠির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
প্রথম ধাপে ৫৪ জেলায় শুরু হচ্ছে কাজ: মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্যমতে, দেশব্যাপী এই খনন কর্মসূচির প্রথম ধাপে ৫৪টি জেলাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ১৬ মার্চ দিনাজপুরে প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং উপস্থিত থেকে এর সূচনা করবেন। একই দিনে দেশের বাকি ৫৩টি জেলায় নিজ নিজ এলাকার মন্ত্রী, উপদেষ্টা, জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ, প্রতিমন্ত্রী, হুইপ এবং সংসদ সদস্যরা একযোগে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন।
কৃষি ও অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব: সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, নদী ও খাল খননের এই বিশাল প্রকল্প দেশের কৃষি ও সেচ ব্যবস্থায় এক যুগান্তকারী পরিবর্তন নিয়ে আসবে। এর ফলে একদিকে যেমন কৃষি উৎপাদন বহুগুণে বৃদ্ধি পাবে, তেমনি গ্রামীণ পর্যায়ে সাধারণ মানুষের জন্য তৈরি হবে বিপুল কর্মসংস্থানের সুযোগ।
সবচেয়ে বড় কথা হলো, নদী-নালা ও খাল-বিলের গভীরতা বাড়লে সেখানে সারা বছর ভূ-উপরিস্থ পানির মজুত বৃদ্ধি পাবে। এতে সেচকাজে ভূ-গর্ভস্থ পানির ওপর কৃষকদের নির্ভরতা অনেকাংশে কমে আসবে। দীর্ঘমেয়াদে এই উদ্যোগ খরা, বন্যা ও জলাবদ্ধতার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রতিরোধেও অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করছে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়।ঢাকা: বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী আগামী পাঁচ বছরে সারা দেশে ২০ হাজার কিলোমিটার নদী, খাল ও জলাধার খনন এবং পুনঃখননের এক বিশাল মেগা কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে।
আগামী ১৬ মার্চ (সোমবার) দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলা থেকে এই যুগান্তকারী কর্মযজ্ঞের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা-৩ শাখা থেকে পাঠানো এক চিঠির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। প্রথম ধাপে ৫৪ জেলায় শুরু হচ্ছে কাজ: মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্যমতে, দেশব্যাপী এই খনন কর্মসূচির প্রথম ধাপে ৫৪টি জেলাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ১৬ মার্চ দিনাজপুরে প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং উপস্থিত থেকে এর সূচনা করবেন। একই দিনে দেশের বাকি ৫৩টি জেলায় নিজ নিজ এলাকার মন্ত্রী, উপদেষ্টা, জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ, প্রতিমন্ত্রী, হুইপ এবং সংসদ সদস্যরা একযোগে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন। কৃষি ও অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব: সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, নদী ও খাল খননের এই বিশাল প্রকল্প দেশের কৃষি ও সেচ ব্যবস্থায় এক যুগান্তকারী পরিবর্তন নিয়ে আসবে। এর ফলে একদিকে যেমন কৃষি উৎপাদন বহুগুণে বৃদ্ধি পাবে, তেমনি গ্রামীণ পর্যায়ে সাধারণ মানুষের জন্য তৈরি হবে বিপুল কর্মসংস্থানের সুযোগ। সবচেয়ে বড় কথা হলো, নদী-নালা ও খাল-বিলের গভীরতা বাড়লে সেখানে সারা বছর ভূ-উপরিস্থ পানির মজুত বৃদ্ধি পাবে। এতে সেচকাজে ভূ-গর্ভস্থ পানির ওপর কৃষকদের নির্ভরতা অনেকাংশে কমে আসবে। দীর্ঘমেয়াদে এই উদ্যোগ খরা, বন্যা ও জলাবদ্ধতার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রতিরোধেও অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করছে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়। |
ঢাকা: বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী আগামী পাঁচ বছরে সারা দেশে ২০ হাজার কিলোমিটার নদী, খাল ও জলাধার খনন এবং পুনঃখননের এক বিশাল মেগা কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে।
আগামী ১৬ মার্চ (সোমবার) দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলা থেকে এই যুগান্তকারী কর্মযজ্ঞের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা-৩ শাখা থেকে পাঠানো এক চিঠির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
প্রথম ধাপে ৫৪ জেলায় শুরু হচ্ছে কাজ: মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্যমতে, দেশব্যাপী এই খনন কর্মসূচির প্রথম ধাপে ৫৪টি জেলাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ১৬ মার্চ দিনাজপুরে প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং উপস্থিত থেকে এর সূচনা করবেন। একই দিনে দেশের বাকি ৫৩টি জেলায় নিজ নিজ এলাকার মন্ত্রী, উপদেষ্টা, জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ, প্রতিমন্ত্রী, হুইপ এবং সংসদ সদস্যরা একযোগে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন।
কৃষি ও অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব: সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, নদী ও খাল খননের এই বিশাল প্রকল্প দেশের কৃষি ও সেচ ব্যবস্থায় এক যুগান্তকারী পরিবর্তন নিয়ে আসবে। এর ফলে একদিকে যেমন কৃষি উৎপাদন বহুগুণে বৃদ্ধি পাবে, তেমনি গ্রামীণ পর্যায়ে সাধারণ মানুষের জন্য তৈরি হবে বিপুল কর্মসংস্থানের সুযোগ।
সবচেয়ে বড় কথা হলো, নদী-নালা ও খাল-বিলের গভীরতা বাড়লে সেখানে সারা বছর ভূ-উপরিস্থ পানির মজুত বৃদ্ধি পাবে। এতে সেচকাজে ভূ-গর্ভস্থ পানির ওপর কৃষকদের নির্ভরতা অনেকাংশে কমে আসবে। দীর্ঘমেয়াদে এই উদ্যোগ খরা, বন্যা ও জলাবদ্ধতার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রতিরোধেও অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করছে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়।
