জীবননগরে কর্মী খুনের প্রতিবাদে চুয়াডাঙ্গায় জামায়াতের বিক্ষোভ ও সমাবেশ

 "চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে বিএনপির কর্মীদের হামলায় জামায়াত কর্মী হাফিজুর রহমান নিহতের প্রতিবাদে জেলা শহরে বিশাল বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।"

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ : সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ২৩:৩০

জীবননগরে কর্মী খুনের প্রতিবাদে চুয়াডাঙ্গায় জামায়াতের বিক্ষোভ ও সমাবেশ

চুয়াডাঙ্গা: জেলার জীবননগর থানাধীন হাসাদাহ বাজারে প্রতিপক্ষ বিএনপি কর্মীদের হামলায় হাফিজুর রহমান নামের এক জামায়াতে ইসলামী কর্মী নির্মমভাবে নিহত হয়েছেন। এই হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে জেলা শহরে বিশাল বিক্ষোভ মিছিল এবং সমাবেশ করেছে সদর উপজেলা ও পৌর শাখা জামায়াত।

প্রতিবাদ সমাবেশ: সোমবার (২ মার্চ) বিকেলে চুয়াডাঙ্গা শহরের প্রাণকেন্দ্র চৌরাস্তা মোড়ের মুক্তমঞ্চে এই প্রতিবাদী সমাবেশের আয়োজন করা হয়। সমাবেশে উপস্থিত জামায়াত নেতৃবৃন্দ হাফিজুর রহমান হত্যার ঘটনায় চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

নেতৃবৃন্দের বক্তব্য ও হুঁশিয়ারি: সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, একটি বিশেষ রাজনৈতিক দল বর্তমানে চরম প্রতিহিংসাপরায়ণ আচরণ করছে, যা চুয়াডাঙ্গা জেলার সার্বিক শান্তির জন্য বড় ধরনের হুমকি। চাঁদাবাজি, দখলবাজি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সবাইকে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়ে তারা বলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সবসময় মজলুম ও নির্যাতিত মানুষের পক্ষে কথা বলবে। সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড দমনে প্রয়োজনে দুর্বার প্রতিরোধ গড়ে তোলার হুঁশিয়ারিও দেন নেতারা। একইসঙ্গে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি অবিলম্বে সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে প্রকৃত খুনিদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানানো হয়।

উপস্থিত নেতৃবৃন্দ: উক্ত প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য প্রদান করেন জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান আসাদ, পৌর আমির হাসিবুল ইসলাম, সহকারী সেক্রেটারি হুমায়ুন কবির শান্ত এবং সদর উপজেলা আমির মাওলানা বিলাল হোসাইন। এছাড়া জেলা ইউনিট সদস্য আব্দুর রউফ, ইসলামী ছাত্রশিবিরের জেলা সভাপতি সাগর আহমেদসহ স্থানীয় শীর্ষ পর্যায়ের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

বিক্ষোভ মিছিল: সংক্ষিপ্ত সমাবেশ শেষে নিহত হাফিজুর রহমান হত্যার সুষ্ঠু বিচারের দাবিতে নেতা-কর্মীদের অংশগ্রহণে একটি বিশাল বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি চৌরাস্তা মোড় থেকে শুরু হয়ে চুয়াডাঙ্গা শহরের গুরুত্বপূর্ণ ও প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে পুনরায় একই স্থানে এসে সমাপ্ত হয়।