হাইকোর্টের রুল: গণভোট অধ্যাদেশ ও ‘জুলাই সনদ’ আদেশ কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না

 "গণভোট অধ্যাদেশ ও জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে চার সপ্তাহের রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।"

অনলাইন ডেস্ক 

প্রকাশ : মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৬:৩০

ছবি: সংগৃহীত / বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট

ঢাকা: বিতর্কিত গণভোট অধ্যাদেশ এবং জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশের আইনি বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন হাইকোর্ট। এসব আদেশ কেন অবৈধ ও বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি রুল জারি করা হয়েছে।

হাইকোর্টের বেঞ্চ ও রুলের সময়সীমা: মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি রাজিক আল জলিল ও বিচারপতি মো. আনোয়ারুল ইসলাম শাহীনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই গুরুত্বপূর্ণ আদেশ দেন। আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, আইন মন্ত্রণালয়ের সচিব, জাতীয় ঐক্যমত কমিশন এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ সংশ্লিষ্ট বিবাদীদের এই রুলের যথাযথ জবাব দিতে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

আদালতে আইনি লড়াই: এদিন আদালতে রিট আবেদনকারীদের পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম ও অ্যাডভোকেট সৈয়দ মামুন মাহবুব। অন্যদিকে, রিট আবেদনের বিরোধিতা করে আইনি যুক্তি তুলে ধরেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ হোসেন লিপু, মোহাম্মদ শিশির মনির এবং ব্যারিস্টার ইমরান আবদুল্লাহ সিদ্দিকী। শুনানিতে তাদের সহযোগিতা করেন আইনজীবী আজিম উদ্দিন পাটোয়ারী, জহিরুল ইসলাম মূসা ও সাদ্দাম হোসেন।

রিটের প্রেক্ষাপট ও দাবি: উল্লেখ্য, গত সোমবার (২ মার্চ) জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ, গণভোট অধ্যাদেশ এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্যদের শপথ গ্রহণের প্রক্রিয়াকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে পৃথক রিট দায়ের করা হয়। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী চৌধুরী রেদোয়ান-ই খোদা রনি এবং গাজী মো. মাহবুব আলম এই রিটগুলো দায়ের করেন, যেখানে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ বাতিলের নির্দেশনা চাওয়া হয়।

এর আগে, গত ১৮ ফেব্রুয়ারি অ্যাডভোকেট ইউনুছ আলী আকন্দ জনস্বার্থে আরেকটি রিট আবেদন করেছিলেন। ওই রিটে তিনি জুলাই জাতীয় সনদকে সংবিধানের সঙ্গে সরাসরি সাংঘর্ষিক দাবি করে এর কার্যকারিতা স্থগিত ও বাতিলের আবেদন জানিয়েছিলেন।